Ad Dua

No photo description available.

খানা খাওয়ার শুরুতে এই দোয়া পড়বে-

উচ্চারণ – বিস্মিল্লাহি ও‘আলা বারাকাতিল্লাহ

প্রয়োজনীয় দোয়া

 

Image may contain: text

 

দরিদ্রতা আসে সাত জিনিসের কারণেঃ

১। তাড়াহুরা করে নামায পড়ার কারণে!

২। দাঁড়িয়ে পেশাব করার কারণে!

৩। পেশাবের জায়গায় অজু করার কারণে!

৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারণে!

৫। ফুঁ দিয়ে বাতি নিভানোর কারণে!

৬। দাঁত দিয়ে নখ কাটার কারণে!

৭। পরিধেয় বস্ত্র দ্বারা মুখ সাফ করার কারণে!

 

সচ্ছলতা আসে সাত জিনিসের কারণেঃ

১। কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে।

২।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার কারণে।

৩। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার কারণে।

৪। দরিদ্র ও অক্ষমদের সাহায্য করার কারণে।

৫। গোনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণে।

৬। পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সদাচরণ করার কারণে।

৭। সকালে সূরা ইয়াসিন এবং সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করার কারণে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে তওফিক দান করুন

——আমিন !!!

রমজানের ৩০ দিনের ৩০ফজিলত??

# ১ম রমজানে = রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়।
# ২য় রমজানে = রোজাদারের মা -বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়।
# ৩য় রমজানে = একজন ফেরেশতা আবারও রোজাদারের ক্ষমার ঘোষনা দেয়।
# ৪র্থ রমজানে = রোজাদারকে আসমানী বড় বড় চার কিতাবের বর্ণ সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।
# ৫ম রমজানে= মক্কা নগরীর মসজিদে হারামে নামাজ আদায়ের সাওয়াব দেওয়া হয়।
# ৬ষ্ঠ রমজানে= ফেরেশতাদের সাথে ৭ম আকাশে অবস্থিত বাইতুল মামূর তাওয়াফের সাওয়াব প্রদান করা হয়।
# ৭ম রমজানে= ফিরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আঃ এর পক্ষে সহযোগিতা করার সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।
# ৮ম রমজানে =রোজাদারের উপর হযরত ইবরাহীম আঃ এর মতো রহমত- বর্ষিত হয়।
# ৯ম রমজানে= নবী-রাসূলদের সাথে দাড়িয়ে ইবাদতের সমান সওয়াব দেওয়া হয়।
# ১০ম রমজানে= রোজাদারকে উভয় জাহানের কল্যাণ দান করা হয়।
# ১১তম রমজানে=রোজাদারের মৃত্যু নবজাতকের ন্যায় নিষ্পাপ নিশ্চিত হয়।
# ১২তম রমজানে= হাশরের ময়দানে রোজাদারের চেহারা পূর্ণিমা চাদের মতো উজ্জল করা হবে।
# ১৩তম রমজানে=হাশরের ময়দানের সকল বিপদ থেকে নিরাপদ করা হবে।
# ১৪তম রমজানে= হাশরের ময়দানে হিসাব- নিকাশ সহজ করা হবে।
# ১৫তম রমজানে = সমস্ত ফিরিস্তারা রোজাদারের জন্য দোয়া করে।
# ১৬তম রমজানে= আল্লাহপাক রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করেন ।
# ১৭তম রমজানে= একদিনের জন্য নবীগনের সমান সাওয়াব দেওয়া হবে।
# ১৮তম রমজানে = রোজাদার এবং তার মা-বাবার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির সংবাদ দেওয়া হয়।
# ১৯তম রমজানে= পৃথিবীর সকল পাথর-কংকর টিলা- টংকর রোজাদারের জন্য দোয়া করতে থাকে।
# ২০তম রমজানে =আল্লাহরপথে জীবন দানকারী শহীদের সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।
# ২১তম রমজানে = রোজাদারের জন্য জান্নাতে একটি উজ্জল প্রাসাদ নির্মান করা হয়।
# ২২তম রমজানে= হাশরের ময়দানের সকল চিন্তা থেকে মুক্ত করা হয়।
# ২৩তম রমজানে= জান্নাতে রোজাদারের জন্য একটি শহর নির্মান করা হয়।
# ২৪তম রমজানে = রোজাদারের যে কোন 24টি দোয়া কবুল করা হয়।
# ২৫তম রমজানে= কবরের শাস্তি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
# ২৬তম রমজানে =40 বছর ইবাদতের সমান সওয়াব প্রদান করা হয়।
# ২৭তম রমজানে= চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে দেওয়া হয়।
# ২৮তম রমজানে= জান্নাতের নেয়ামত দ্বিগুণ

হাদিসে বর্ণিত ঘুমানোর আগে যে-সব সুন্নাত রয়েছে, তা হলো-

১. ভালোভাবে বিছানা ঝেড়ে নেয়া।
২. ঘরের দরজা আল্লাহর নামে বন্ধ করে ঘুমানো।

৩. ঘুমের সময় ঘুমের দোয়া পাঠ করা। হাদিসে বর্ণিত ঘুমের দোয়া হলো, ‘আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহইয়া।’ অর্থাৎ, হে আল্লাহ আপনার নামে আমরা মৃত্যুবরণ করি আবার আপনার নামেই জীবিত হই।

কেননা, ঘুমকে বলা হয় মৃত্যুর ভাই । মানুষ যখন ঘুমে যায়, তখন তার রুহ আসমানে উঠিয়ে নেয়া হয়। এরপর তার জাগরণের পূর্বে রুহ আবার তার দেহে ফিরিয়ে দেয়া হয়। (বুখারি)

৪. ডান কাত হয়ে শোয়া। অর্থাৎ ঘুমের শুরুটা যেনো ডান কাতে হয়। এরপর ঘুমের ঘোরে অন্য যে কোনোভাবে ঘুমালেও সুন্নাত পরিপন্থী হবে না।
৫. অপবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে হলে শরীরের বাহ্যিক অপবিত্রতা ধুয়ে অযু করে ঘুমানো ।

৬. নগ্ন হয়ে না ঘুমানো । (বুখারি)
৭. একান্ত প্রয়োজন না হলে উপুড় হয়ে না ঘুমানো সুন্নাত ।

৮. ঘুমানোর সময় আগুন জ্বালানো বাতি নিভিয়ে ঘুমানো । (তিরমিযি)
৯. ঘুম ঘোরে দুঃস্বপ্ন দেখলে পার্শ্ব পরিবর্তন করে শোয়া ।

১০. দুঃস্বপ্ন দেখলে বাম দিকে তিনবার থুথু ছিটানো এবং দোয়া করা, ‘হে আল্লাহ আমি তোমার নিকট দুঃস্বপ্ন ও শয়তান থেকে পানাহ চাই ।’ এভাবে তিনবার বলা । তবে দুঃস্বপ্ন কাউকে না বলা সুন্নাত। (মুসলিম)

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠাকালে বহু বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। বেশ কয়েকবার কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে।

অনেক জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার পাড়ি দিয়ে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপদের সময় মহানবী (সা.) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতেন সেই দোয়াগুলো উম্মতদেরও পাঠ করাতে বলেছেন।

দোয়া ৩টি হলো-

১। সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রা. বলেন, নবীজি সা. দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন :

লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন। (দোয়া ইউনূস)

অর্থ : একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০)

২। আসমা বিনতে ওমাইর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে।

সাহাবী বললেন, অবশ্যই শেখাবেন। নবীজি বললেন, দোয়াটি হচ্ছে : ‘আল্লাহু আল্লাহ রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’

অর্থ : আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না। (আবু দাউদ : ১৫২৫)

৩। আনাস রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন :

আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা।

অর্থ : ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও। (ইবনে হিব্বান : ৯৭৪)

যে ব্যক্তি এ গুণবাচক নামগুলোর জিকির করবে; সে জান্নাতে যাবে।’ দৈনন্দিন জীবনে আল্লাহ তাআলার এ গুণবাচক নামগুলোর জিকির আজকার ও আমলে রয়েছে আলাদা আলাদা ফজিলত ও উপকারিতা।

আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম সমূহের মধ্যে (اَلْوَاجِدُ) ‘আল-ওয়াঝেদু’ একটি। নিরবে ও নির্জনে এ আমলটি করলে আল্লাহ তাআলা ধন-সম্পদ বৃদ্ধি করে দেন।

আল্লাহর গুণবাচক নাম (اَلْوَاجِدُ) ‘আল-ওয়াঝেদু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-ওয়াঝেদু’
অর্থ : ‘এমন মুখাপেক্ষীহীন সত্তা, যিনি কারো কাছে কোনো কিছুর জন্য মুখাপেক্ষী নন’

আল্লাহর ‍গুণবাচক নাম (اَلْقَيُّوْمُ)-এর আমল

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি খাবারের সময় প্রত্যেক লোকমায় আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম (اَلْوَاجِدُ) ‘আল-ওয়াঝেদু’ পাঠ করবে; তা ওই ব্যক্তির শরীরে নূর হয়ে যাবে।

>> যে ব্যক্তি নির্জনে একনিষ্ঠ মনে আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম (اَلْوَاجِدُ) ‘আল-ওয়াঝেদু’ পাঠ করবে; সে ব্যক্তি ধনী বা সম্পদশালী হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব অসচ্ছল মানুষকে তাঁর গুনবাচক নাম (اَلْوَاجِدُ) ‘আল-ওয়াঝেদু’-এর ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Image may contain: text

 

No photo description available.