Electrical Tips

ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের ভাইভার জন্য কাজে আসবে।

১।  প্রঃ টিউব লাইট কত ফুট লম্বা ও কত ওয়াটের হয় ?
উ : ৪ ফুট ৪০ ওয়াট এবং ২ ফুট ২০ ওয়াট সাধারনত।
২। প্রঃ স্টার্টার ছাড়া টিউব লাইট জ্বালানো যায় কি ?

উঃ হ্যা যায়, পুশ বাটন সুইচ ব্যবহার করে অথবা তারে তারে সংযোগ করেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে হয়।
৩। প্রঃ টিউব লাইট এক বার জ্বলে আবার পর মুহুর্ত্তেই নিভে এরূপ করতেছে – দোষ কোথয়?
উঃ স্টার্টার খারাপ কাজ করতেছে না।
৪। প্রঃ টিউব লাইটের দুই দিক জ্বলে থাকে পূর্ন ভাবে জ্বলে না – কারন কি ?
উঃ টিউবের ভিতর প্রয়োজনীয় গ্যাস নাই, অথবা প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাচ্ছেনা, অথবা স্টার্টার সার্কিট ব্রেক করতেছে না অথবা চোক কয়েল দুর্বল হয়েপরেছে।
৫। সুইচ অফ করা সত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাত্তয়া যায়।
উ :সুইচ লাইনে ব্যবহার না করে নিউট্রালে ব্যবহার করা হয়েছে।
৬। কলিং বেলের আওয়াজ খুব বেশী কি ভাবে কমাবে ?
উ : কম পাওয়ারের বাতি কলিং বেলের সাথে সিরেজে ব্যবহার করে।
৭। একটি ডিসি জেনারেটর পূর্ণ স্পিডে ঘুরতেছে কিন্তু ভোল্টেজ উৎপন্ন হইতেছে না- কারন কি?
উ:         (১) ফিল্ডে রেসিডিয়্যাল মেগনেটিজম নেই
(২) জেনারেটর উল্টা ঘুরতেছে
(৩) ফিল্ডের কয়েল ওপেন
(৪) আর্মেচার কয়েল ওপেন
(৫) কার্বন ব্রাসের কম্যুটেটরে সংযোগ নেই।

৮। স্টার্টার মোটরর্স্টাট দেয়া ছারা আর কি কি কাজ করে?
উ: ইহা ওভার লোডে এবং সাপ্লাই চলে গেলে মোটরকে সোর্স হতে আপনা আপনি বিচ্ছিন্ন করে।
৯। একটি ১০ হর্স পাওয়ারের মোটর দ্বারা ১০ হর্স পাওয়ারের জেনারেটর ঘুরিয়ে তাহা হতে ১০ হর্স পাওয়ার জেনারেশন পাওয়া যাবে কি?
উ: না, কারন কখনও ইনপুট আউটপুট সমান হয় না।
১০। ডায়নামো কি ?
উ: ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।
১১। কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?
উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।
১২। তিন ফেজ হতে এক ফেজ নেয়া যায় কি ?
উ: হ্যাঁ, যদি স্টার কানেকশন থাকে, তবে একটি লাইন ও নিউট্রালে এক ফেজ সাপ্লাই পাওয়া যায়।
১৩। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি?
উ: পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না, না হয় ক্যাপাসিটর দুর্বল না হয় বল বিয়ারিং জ্যাম, না হয় কয়েলের ইন্সুলেশন দূর্বল।
১৪। পাখা পূর্ণ বেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উ: পাখার ব্লেডের বাক কম না হয় পাখার পিছনে প্রয়োজনীয় ফাকা জায়গা নেই।
১৫। পাখা উল্টা ঘুরে গেলে কি ভাবে ঠিক করবে ?
উ: ক্যাপাসিটরের কয়েল কানেকশন বদল করে, আথবা হয় রানিং না হয় র্স্টাটিং কয়েল বদল করে ঠিক করা যায়।
১৬। সিলিং ফ্যানের কোন দিকের বল বিয়ারিং সাধারনতঃ আগে খারাপ হয় ?
উ: উপরের বিয়ারিং খারাপ হয়।
১৭। সিলিং ফ্যান স্টার্ট দেওয়ার সংঙ্গে সংঙ্গে ইহার কানেকটিং রডে খট খট আওয়াজ হয়ে পরে আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উ: ইহার রডে রাবার বুশ নেই।
১৮। কোন মোটর এসি এবং ডিসি উভয় সাপ্লাই এ চলে ?
উ: ইউনিভার্সাল মোটর (ডিসি সিরিজ মোটর) ।
১৯। তিন ফেজ মোটর উল্টা ঘুরতেছে, কিভাবে ঠিক করবে ?
উ: ইহার যে কোন দুই ফেজের জায়গা বদল করে দিতে হবে।
২০। চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরেরএক ফেজ চলে গেলেকি হবে ?
উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়েযাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটরসঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটরজ্বলে যাবে
২১। তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?
উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।
২২। স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?
উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্টসাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)
২৩। ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?
উ : মেগার দ্বারা।
২৪। আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?
উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবা মোটামুটি ভাবে একটি ১০০ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে।
২৫। আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?
উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।
২৬। কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?
উ : অটো ট্রান্সফরমার।
২৭। ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করাথাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকারআওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।
২৮। ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে
(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।
২৯। সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।
৩০। ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।
৩১। ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমেবাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতেবাহির হয়ে যায়।
৩২। বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরেরসংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরেত্রুটি দেখাদিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।
৩৩। গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।
৩৪। ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?
উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।
৩৫। জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।
৩৬। ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটাতারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষ কমানোর জন্য।
৩৭। CB কি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণলাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।
৩৮। A.C কে D.C এবং D.C কে A.C কিভাবে করা হয় ?
উ : A.C কে D.C করা হয় রেকটিফায়ার অথবা রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং D.C কে A.C করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

ইলেকট্রিকযাে ইলেকট্রনিক্স

ইনিনিয়ানরিং ছালের জিয প্রলয়াজিীয় সূে Engineering Law)ওহলের সূে

Ohm’s Law)

1826 সালে জার্মান বিজ্ঞানী ড: জজম সাইর্ন ওহর্ কালেন্ট, ভ ালেজ এিং ভেবজস্ট্যালেে র্লযয সম্পকম বনর্ময় কলেন, এ
সম্পকম ই ওহলর্ে সূত্র নালর্ পবেবিত।
ভকান পবেিাহীে র্যয বিলয় সুষর্ উষ্ণতায় প্রিাবহত কালেন্ট ঐ পবেিাহীে দুপ্রালেে ভ ালেলজে সর্ানুপাবতক।
অথিা
ককাি পনরবানহর নিতর নিলয় নির তাপোোয় প্রবানহত কালরন্ট ঐ পনরবানহর দুপ্রালের নবিব পার্থলকযর
সোিপানতক এবিং করনজস্ট্যালের বাস্তািাপানতক।
ওহলর্ে সূত্র র্লত, ভকান পবেিাহীে দুই প্রালেে বি ি পাথমকয V এিং প্রিাবহত কালেন্ট I হলে,
V α I
িা, V = IR এখালন, R = পবেিাহীে ভেবজস্ট্যাে (সর্ানুপাবতক ধ্রুিক)
ওহলের সূলের সীোবদ্ধতা:
ওহলর্ে সূত্রলক যবিও ইলেকট্রিবসটিে গুরু িলে র্ানা হয়, এে বকছু সীর্ািদ্ধতা আলছ
১. ওহলর্ে সূত্র DC এে ভেলত্র প্রলযাজয, AC এে ভেলত্র নয়।
২. তাপর্াত্রা পবেিতম ন হলে ওহলর্ে সূত্র প্রলযাজয নয়।
৩. তাপর্াত্রা বিে থাকলেও বসবেকন কািমাইলডে ভেলত্র ওহলর্ে সূত্র প্রলযাজয নয়।
৪. জটিে সাবকম ট সর্ূহ ওহলর্ে সূলত্রে সাহালযয সর্াযান কো যায় না।
ফ্যাোলডে ইলেকলরাোইবসস সূত্র (Farad’s Law of Electrolysis)
বিখযাত বিজ্ঞানী র্াইলকে ফ্যাোলড ইলেকলরাোইবসলসে দুটি সূত্র উদ্ভািন কলেন।
প্রর্ে সূে:
ইলেকলরাোইবসস প্রবিয়ায় ইলেকলরালডে উপে জর্া হওয়া পিালথমে পবের্ার্, দ্রির্ িা ইলেকলরাোইলটে ব তে বিলয়
প্রিাবহত বিদুযলতে পবের্ালর্ে সর্ানুপাবতক।

নিতীয় সূে:
ইলেকলরাোইবসস প্রবিয়ায় ইলেকলরালডে উপে জর্া হওয়া পিালথমে পবের্ার্ এলিে তব়িৎ োসায়বনক সর্তুলেে
সর্ানুপাবতক।
িালজম ে পবের্ার্ q
প্রিাবহত কালেন্ট i
কালেন্ট প্রিালহে সর্য় t এিং
পিলথমে তব়িৎ োসায়বনক সর্তুে Z হলে,
প্রর্ে সূে অিাযায়ী m α q
নিতীয় সূে অিাযায়ী m α Z
কেন লজর সূে Lenz’s law)
ভেনজ এে সুত্র একটি সহজ উপায় যাে র্াযযলর্ আর্ো িুঝলত পাবে বক ালি তব়িৎ িুম্বকীয় িতমনী বনউটলনে ৩য় সুত্র এিং
শবিে সংেের্ সুত্র ভর্লন িলে । ভেনজ এে সুত্র ভহনবেক ভেনজ এে নার্ানুসালে কো হলয়লছ।এলত িো হয়
একটি প্রিবতমত তব়িচ্চােক িে সি সর্য় তব়িৎলক িৃবদ্ধ কলে যাে িুম্বকীয় ভেত্র প্রকৃত িুম্বক প্রিালহে বিলোবযতা কলে ।
ভেনজ এে সুত্র ফ্াোলডে সুলত্রে আলিশ ঋর্াত্মক বিহ্ন ভিয়
এে ভথলক িুঝা যায় ভয আলিবশত তব়িচ্চােক িে (E) এিং িুম্বকীয় প্রিাহ (∂ΦB) এে র্লযয বিপেীত বিহ্ন আলছ ।
কর্লিনিি নর্উরে Thevenin Theorem)
ই.এর্.এফ্. এে একাবযক উৎস এিং ভেবজস্ট্যাে সর্ন্বলয় গঠিত একটি জটিে ভনটওয়ালকমে দুটি বিন্দুলত সংযুি একটি
ভোড ভেবজস্ট্যালেে কালেন্ট একই হলি, যবি ভোডটি ই.এর্.এফ্. এে একটি র্াত্র বিে উৎলসে সালথ সংযুি থালক। যাে
ই.এর্.এফ্. ভোলডে পযাোলেলে অলপন সাবকম ট ভ ালেলজে সর্ান এিং যাে ইন্টােনাে ভেবজস্ট্যাে দুটি প্রাে হলত
বিপেীত বিলকে ভনটওয়ালকমে ভেবজস্ট্যালন্টে সর্ান। ই.এর্.এফ্. এে উৎসগুলো এলিে সর্তুেয ইন্টােনাে ভেবজস্ট্যালে
িোব বষি হলি।
সাপার পনজশি নর্উরে Superposition Theorem)
ভকান বেবনয়াে িাইলেটাোে ভনটওয়ালকম একটি বিন্দুলত প্রিাবহত কালেন্ট িা দুটি বিন্দুলত ই.এর্.এফ্. এে একাবযক উৎলসে
কােলর্ ঐ বিন্দুিা বিন্দুগুলোলত প্রিাবহত আোিা আোিা কালেন্ট সর্ুলহে িা ই.এর্.এফ্. পাথমকয সর্ুলহে িীজগাবর্বতক
ভযাগফ্ে সর্ান হলি যবি প্রবতটি উৎসলক আোিা আোিা ালি বিলিিনা কো হয় এিং অনয উৎস গুলোে প্রবতটি
সর্র্ালনে ইন্টােনাে ভেবজস্ট্যালে রূপােে কো হয়।

কারশলের সূে Kirchhoff’s Law)কারশলের কালরন্ট সূে Kirchhoff’s Current Law):
একটি সাবকমলটে ভকান বিন্দুলত বর্বেত কালেন্ট সর্ুলহে িীজগাবর্বতক ভযাগফ্ে সর্ান।
অথিা
একটি সাবকমলটে ভকান বিন্দুলত আগত কালেন্ট ও বনগমত কালেন্ট সর্ান।
কারশলের কিালেজ সূে Kirchhoff’s Voltage Law):
ভকান িদ্ধ বিদুযবতক ভনটওয়ালকম ে সকে ই.এর্.এফ্ এিং সকে ভ ালেজ রপেলপে িীজগাবর্বতক ভযাগফ্ে শূনয।
কুেলের সূে Coulomb’s Law)
প্রথর্ সূত্র:
একই যেলর্ে িাজম পেস্পেলক বিকষমর্ কলে এিং বিপেীত যর্ী িাজম পেস্পেলক আকষমর্ কলে।
বিতীয় সূত্র:
দুইটি বিন্দুিালজমে র্লযয আকষমর্ িা বিকষমর্ িে িাজম দুইটিে পবের্ালর্ে গুর্ফ্লেে সর্ানুপাবতক এিং এলিে র্লযয দূেলেে
িলগমে িযস্তানুপাবতক।
দুটি বিন্দুিালজমে পবের্ার্ যথািলর্ Q1 ও Q2, এলিে র্যযকাে দূেে d হলে,
িে F α Q1Q2/d2
িা, F = k F α Q1Q2/d2 এখালন, K = 9X109 [ধ্রুিক]
এযাম নপয়ারস ে Ampere’s Law)
ফ্রালেে গবর্ত শাস্ত্রবিি আলদ্রেঁ র্যাবেলয় এযাম বপয়াে কালেন্টিাহী দুটি পবেিাহীে র্যযকাে িলেে সূত্র আবিষ্কাে কলেন। তােঁ ে নার্
অনুসালে এই সূলত্রে নার্কের্ কো হয়।
কালেন্টিাহী দুটি সর্ােোে পবেিাহীে র্লযয বিয়াশীে িে পবেিাহী দুইটিে বির্ঘময এিং এলিে র্যযবিলয় প্রিাহীত কালেলন্টে
গুর্ফ্লেে সর্ানুপাবতক এিং পবেিাহী দুইটিে র্যযকাে দূেলেে িযস্তানুপাবতক।
যবি বিয়াশীে িে F, কালেন্ট I1 ও I2, পবেিাহী দুইটিে বির্ঘময L, পবেিাহী দুইটিে র্যযকাে দূেে r হয়,
তলি, F α I1I2L/r
িা, F = 2X10-7I1I2L/r এখালন, 2X10-7= সর্ানুপাবতক ধ্রুিক
ভেবর্ং এে ভেফ্ট হযান্ড রুে (Fleming’s Left Hand Rule)

িার্ হালতে িৃদ্ধাঙ্গুবে, তজমনী এিং র্যযর্ালক পেস্পে সর্লকালর্ ভেলখ বিস্তৃত কেলে, তজমনী িুম্বক িেলেখাে বিক ও র্যযর্া
কালেলন্টে বিক বনলিম শ কেলে, িৃদ্ধাঙ্গুবে পবেিাহী তালেে র্ঘূর্নম বিক বনলিমশ কেলি।
এই সূলত্রে সাহালযয ভর্াটলেে র্ঘূর্মন বিক ভিে কো যায়।
েযাক্সওলয়ে ককথ-স্ক্রা রুে Maxwell Cork Screw Rule)
িৃটিশ পিাথম বিজ্ঞানী ভজর্স ক্লাকম র্যাক্সওলয়ে ১৮৭৩ সালে ককম-স্ক্রুে সাহালযয িুম্বক িেলেখাে বিক বনর্মলয়ে সূত্র ভিে
কলেন।
পবেিাহীে ভযবিলক কালেন্ট প্রিাবহত হয়, ভস বিলক ডান হালত ককম-স্ক্রুলক র্ঘুোলে িৃদ্ধাঙ্গুবে ভযবিলক র্ঘুলে ভসবিলক িুম্বক
িেলেখাে বিক বনলিম শ কেলি।
এনিয়ারস সাইনেিং রুে Ampere’s Swimming Rule)
বিদুযৎ পবেিাহী তালেে র্যয বিলয় প্রিাহীত কালেলন্টে বিলক যবি ভকালনা িযাবি পবেিাহীে উপে এর্ন ালি সােঁ তাে ভিয়,
যালত পবেিাহীে কালছ োখা কম্পাস িুম্বলকে বিলক তাে র্ুখ থালক, তলি ঐ িযাবিে িার্ হাত ভযবিলক প্রসাবেত হলি,
কম্পাস িুম্বলকে উত্তে ভর্রু ভসবিলক বিলেপ ভিখালি অথমাৎ ঐবিলক িুম্বক িেলেখাে অব র্ুখ হলি।
রাইট হযান্ড রুে Right Hand Rule)
কালেন্ট প্রিালহে বিলক িৃদ্ধাঙ্গুবে ভেলখ ডান হাত বিলয় পবেিাবহ তােলক র্ুবটি িদ্ধ কেলে, তাে ভিটি নকােী আঙ্গুেগুলো
তালেে িতুপালবমিৃত্তাকাে িে ভেখাে বিক বনলিমশ কেলি।
জা লের সূে Joules Law)
১৮৪১ সালে ইংলেজ বিজ্ঞানী ডঃ ভজর্স ভপ্রস্কট জুে তাপ সম্পবকম ত একটি সূত্র উদ্ভািন কলেন, যা জুলেে সূত্র নালর্
পবেবিত হয়।
যবি তাপলক H, কালেন্টলক I, ভেবজস্ট্যােলক R এিং সর্য় ভক t বিলয় প্রকাশ কো হয়, তলি গাবনবতক ালি ভেখা যায়ঃ
১. H α I2, যখন R এিং t ধ্রুি
২. H α R, যখন I এিং t ধ্রুি
৩. H α t, যখন I এিং R ধ্রুি
অতএি, H α I2Rt
িা H=I2RT/J এখলন, J = 4200 জুে/বকলো কযালোবে ভর্কাবনকযাে ইকুল লেন্ট অফ্ বহট (সর্ানুপাবতক ধ্রুিক)

5 | P a g e
করনজস্ট্যালের সূে Resistance Law)
একটি বনবিম টি তাপর্াত্রায় একটি পবেিাহীে ভেবজস্ট্যাে বিলর্ঘমযে সর্ানুপাবতক, প্রলিে িাস্তানুপাবতক এিং এে ভেবজস্ট্যাে
পবেিাবহ পিালথমে আলপবেক ভেবজস্ট্যালেে উপে বন ম ে কলে।
ভেবজস্ট্যাে R, প্রিলেলিে ভেত্রফ্ে A এিং বির্ঘময L হলে,
R α L/A
িা, R = ρL/a এখালন, ρ= ভস্পবসবফ্ক ভেবজস্ট্যাে (সর্ানুপাবতক ধ্রুিক)

 

ইলেকট্রিকযাে পাওয়ার ট্রান্সমিশন ও মিমিমিউশন মিলেি

প্রাথমিক আলোচনা
ইলেকট্রিকযাে পাওয়ার ট্রান্সমিশন ও মিমিমিউশন মিলেি প্রধানত ৩ টি মিষলয়র উপর মিমি কলর চলে। সিগুলো হে-
পাওয়ার সেনালরশন িা মিদ্যযৎ উৎপাদন
পাওয়ার ট্রান্সমিশন িা মিদ্যযৎ িঞ্চােন এিং
পাওয়ার মিমিমিউশন িা মিদ্যযৎ মিতরণ
অর্থাৎ, প্রর্লি পাওয়ার ততমর করা হলে; তারপর তা দ্যর-দূরালে পাঠালনার িযিস্থা করা হলে। অিলশলষ সকান একটি
িযিস্থার িাহালযয সিগুলো িযিহালরর উপলযাগী কলর সতাো হলে।
িম্পূর্ণপ্রকয় য়া
আিালদর সদলশর কর্ালতই আিা যাক। সযখালন পাওয়ার িা মিদ্যযৎ উৎপাদন করা হলে সিখান সর্লক িচারচর পাওয়া যায়
১১ মকলো সিাল্ট। এটিলক যমদ আিরা পুলরা সদলশ িা দূলর সকার্াও পাঠালত চাই তাহলে িাত্র ১১ মকলোলিালল্ট তা
পাঠালত সগলে ইলেকট্রিকযাে ইমিমনয়ামরং পড়া ইমিমনয়ার সদর হালত িস্তা িমতথ মিদ্যযৎ মনলয় িলি র্াকলেও মিদ্যযৎ পাওয়া
যালি না।
এর েনয পাঠালনার আলগই সিটা একিার সেপ আপ কলর সনওয়া হয়। এখালন উলেখয সয মিলশষ কলয়কটি কারলণ এই ১১
মকলোলিাল্ট মিদ্যযৎ সক ১৩২ অর্িা ২৩০ অর্িা ৪০০ মকলোলিাল্ট এ সেপ আপ করা হয়।
তারপর এটা ট্রান্সমিশন োইলনর িলধয মদলয় পার করা হয় অলনক দূলর। এখন ধরুন একটা োয়গায় ঐ মিদ্যযৎ এর িংলযাগ
সদিার প্রলয়ােন হলয়লে। িুতরাং সিখালন কালনকশন সদওয়ার েনয সিই োইন সক আিার ১৩২/২৩০/৪০০ মকলোলিাল্ট
সর্লক সেপ িাউন কলর ১১ মকলোলিালল্ট নামিলয় মনলয় আিা হয়। এিার সিটি যমদ সকান িড় মিে, িা ইন্ডামিয়াে
প্রমতষ্ঠান হলয় র্ালক তাহলে সিখালন িরািমর ঐ ১১ মকলোলিালল্টর োইন চলে যায় িযিহালরর েনয। তারপর তারা
সিটালক কমিলয় িা িামড়লয় িযিহার উপলযাগী কলর সনয়।
আো এিার তাহলে আিা যাক
িািা-িামড়লত মক হয়? খুিই মিম্পে িযপার। এিার সিই ১১ মকলোলিাল্ট সক আিারও সেপ িাউন কলর ০.৪৪
মকলোলিালল্ট িা ৪৪০ সিালল্ট মনলয় আশা হয়। আর সিটা িািা িামড় িা সোট সকান সিাক্তার কালে পাঠিলয় সদওয়া হয়।
সিখান সর্লক প্রলয়ােন িলতা ২২০-২৪০ সিালল্ট ট্রান্সফিথ কলর িযিহার করা হয়।

 

 

 

 

List of electrical and electronic measuring equipment

Below is the list of measuring instruments used in electrical and electronic work.

Name Purpose
Ammeter (Ampermeter) Measures current
Capacitance meter Measures the capacitance of a component
Curve tracer Applies swept signals to a device and allows display of the response
Cos Phi Meter Measures the power factor
Distortionmeter Measures the distortion added to a circuit
Electricity meter Measures the amount of energy dissipated
ESR meter Measures the equivalent series resistance of capacitors
Frequency counter Measures the frequency of the current
Leakage tester Measures leakage across the plates of a capacitor
LCR meter Measures the inductance, capacitance and resistance of a component
Microwave power meter Measures power at microwave frequencies
Multimeter General purpose instrument measures voltage, current and resistance (and sometimes other quantities as well)
Network analyzer Measures network parameters
Ohmmeter Measures the resistance of a component
Oscilloscope Displays waveform of a signal, allows measurement of frequency, timing, peak excursion, offset, …
Psophometer Measures AF signal level and noise
Q meter Measures Q factor of the RF circuits
Signal analyzer Measures both the amplitude and the modulation of a RF signal
Signal generator Generates signals for testing purposes
Spectrum analyser Displays frequency spectrum
Sweep generator Creates constant-amplitude variable frequency sine waves to test frequency response
Transistor tester Tests transistors
Tube tester Tests vacuum tubes (triode, tetrode etc.)
Wattmeter Measures the power
Vectorscope Displays the phase of the colors in color TV
Video signal generator Generates video signal for testing purposes
Voltmeter Measures the potential difference between two points in a circuit. (Includes: DVM and VTVM)
VU meter Measures the level of AF signals in Volume units

 

 

 

বৈদ্যুতিক লাইনে গ্রাউন্ডিং এর প্রয়োজনীয়তা ও ইলেকট্রিক শক

 

বৈদ্যুতিক লাইনে গ্রাউন্ডিং এর প্রয়োজনীয়তা ও ইলেকট্রিক শক

বিদ্যুৎ আমাদের জন্য আশির্বাদ স্বরূপ। আধুনিক যুগে বিদ্যুৎ ছাড়া কোন কিছুই চিন্তা করা যায় না। সেই সাথে বৈদ্যুতিক শক হলো জীবননাশকারী একটি ব্যাপার। এসি বিদ্যুত আবিষ্কার করবার পর, এটা যে প্রাণঘাতী এবং তা ব্যবহার করা ঠিক হবে না এই প্রচারে আলভা এডিসন নেমেছিলেন তার ডিসি বিদ্যুতের বাজার ঠিক রাখবার জন্য।

আমাদের বাসাবাড়িতে ২২০ ভোল্টের বিদ্যুত ব্যবহার করা হয় এবং বড়যন্ত্র সহ ট্রান্সমিশন লাইনে আরও বেশী ভোল্টেজ থাকতে পারে। আমাদের ব্যবহার করা অনেক যন্ত্র কম ভোল্টেজে চলবার পরও কাজের প্রয়োজনে বেশী ভোল্টেজ উৎপন্ন করতে পারে এর ভিতরের সার্কিট এর মাধ্যমে। তাই ইলেকট্রিক শক থেকে বাঁচবার জন্য সাধারণত গ্রাউন্ডিং বা আর্থিং করা হয়ে থাকে যন্ত্রপাতি ও লাইন। এতে করে শক পাওয়া বন্ধ করা না গেলেও তা যেন প্রাণঘাতি না হয় সে ব্যাপারে কিছুটা হলেও ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

হবিস্ট থেকে শুরু করে প্রফেশনাল পর্যন্ত আমরা যারা সার্কিট নিয়ে কাজ করি তাদের বৈদ্যুতিক শক সম্বন্ধে সচেতন থাকা একান্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। সাধারণত আমাদের তৈরী করা সার্কিট থেকে একটি তারের মাধ্যমে আমরা লাইন স্থাপন করা হয় যে বাক্সে, তাতে গ্রাউন্ড সংযোগ করি নয়েজ ও শক প্রতিরোধ করবার জন্য। অনেক সময় কম্পিউটারের গায়ে হাত লাগলে আমরা মৃদু শক অনুভব করি এই কারণেই। সঠিক ভাবে গ্রাউন্ডিং/আর্থিং না থাকবার ফলে এই শকের ঘটনা ঘটে।

আমরা যদি আমাদের বাড়ির বৈদ্যুতিক সংযোগ দেখি তবে দেখবো যে মিটারের সাথে বা মুল কানেকশন থেকে একটি জি আই তারের (GI Wire) মাধ্যমে লাইন টেনে তা মাটিতে স্থাপন করা হয় যা গ্রাউন্ডিং এর কাজে লাগে। এটা ঠিক মতো না থাকলে বা নিয়ম অনুযায়ী স্থাপন না করলে আপনার বাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ হবার কথা না। তবুও অনেক বাড়িতে এটা ঠিক ভাবে থাকে না। এই ঠিক না থাকবার বিষয়টি সাধারণত অজ্ঞতা ও অবহেলার কারণে হয়ে থাকে যা মোটেও ঠিক না। এর ফলে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার ফলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে এবং সচরাচর হয়েও থাকে। সুতরাং এই গ্রাউন্ডিং নিয়ে অবহেলা করা উচিৎ না

বাসা বাড়িতে তিন পিনের প্লাগ ব্যবহার করা হয়ে থাকে মুলত এই গ্রাউন্ডিং নিশ্চিত করবার জন্যই কিন্তু আমরা দুই পিনের প্লাগ ব্যবহার করেই অভ্যস্ত যা সেফটির দিক থেকে ঠিকনা যদিনা সঠিক গ্রাউন্ডিং না থাকে। নীচের ছবিটা আসুন দেখি –

বৈদ্যুতিক শক এর মূল কারন কি তা ডায়াগ্রাম আকারে দেখানো হয়েছে

VC = (VS X R2)/(R1+R2)

এখানে R2 এর মান শূণ্য হলে অর্থাত গ্রাউন্ডিং লাইনের কানেকশন থাকলে চেসিসের গায়ে কোন ভোল্টেজ থাকবে না। কিন্তু R2 এর মান অসীম হলে বা R2 না থাকলে একটি ভোল্টেজ থাকবে যা বিপজ্জনক হতে পারে। একে বলে স্ট্রে ইমপিডেন্স (Stray Impedance)। এই স্ট্রে ইমপিডেন্সের কারণেই অনেক সময় কম্পিউটার বা মেটাল কেবিনেট যুক্ত বৈদ্যুতিক যন্ত্রতে হাত দিয়ে স্পর্শ করলে শকের অনুভূতি পাওয়া যায়। আর এই R2 টিই গ্রাউন্ডিং বা অন্যভাবে আর্থিং বলে।

আশাকরি গ্রাউন্ডিং কেন প্রয়োজন একটু হলেও পরিষ্কার হয়েছে সবার কাছে।

এখন এসি লাইন যদি চেসিসের সাথে কোন কারণ বশত শর্ট হয় তবে বাঁচবার কোন রাস্তা থাকে না এবং সরাসরি বিদ্যুত শরীরদিয়ে প্রবাহিত হয়ে মৃত্যুর ঝুকি সৃষ্টি করে। আরেকটি ডায়াগ্রাম থাকলে বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হবে, তাহলে চলুন দেখি –

এখানে গ্রাউন্ড লাইন সঠিক থাকলে মানুষ স্পর্শ করবার পরেও প্রবাহিত মোট বিদ্যুত দুই ভাগে ভাগ হয়ে প্রবাহিত হবে। গ্রাউন্ড লাইনের রোধ কম হওয়াতে বেশীরভাগ বিদ্যুত গ্রাউন্ড লাইন দিয়ে প্রবাহিত হবে এবং মানুষের শরীর দিয়ে কম বিদ্যুৎ যাবে।

এতে করে খুব অল্প শক খাবার পরও মানুষের বেঁচে যাবার একটি সম্ভাবনা থাকে তবে যদি গ্রাউন্ড লাইন না থাকে তবে সম্পুর্ণ বিদ্যুত শরীরের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হবার কারণে মারাত্মক শক হবে যা প্রাণঘাতী হবার সম্ভবনাই বেশী।

এখানে উল্লেখ্য যে শুকনো অবস্থায় মানুষের শরীরের রোধ ১ লক্ষ ওহম পর্যন্ত হতে পারে তবে ভেজা অবস্থায় তা ১০০০ ওহম থেকে কয়েক ওহমে নেমে আসতে পারে। এর জন্যই ভেজা শরীরে শক বেশী মারাত্মক হয় এবং ভেজা শরীরে বৈদ্যুতিক কাজ করা বেশী বিপদ জনক।

এই ছোট্ট লিখা থেকে সঠিক গ্রাউন্ডিং/আর্থিং এর প্রয়োজনীয়তা আশা করি বুঝা গেছে। তাই গ্রাউন্ডিং নিয়ে আর অবহেলা নয়। আজই আপনার বাড়িতে সঠিক গ্রাউন্ডিং আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিন এবং না থাকলে তা সঠিক ভাবে স্থাপন করবার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুণ।

বিদ্যুত আশীর্বাদ তবে বৈদ্যুতিক শক জীবনঘাতি এটা মনে রাখবেন। এবং সেই সাথে এটা মনে রাখতে হবে বিদ্যুত কোন অবস্থায়ই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কাওকে কোন প্রকার খাতির যত্ন করবে না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ইলেকট্রিক্যাল পড়ুয়াদের জন্য কিছু অসাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

জেনে রাখা ভাল
১। প্রঃ একটি চোক কয়েলের সহিত সিরিজে বাতি লাগানো হয়েছে, বাতি উজ্জ্বল ভাবে জলে, বাতি ডিম জ্বলে, বাতি জ্বলে না কি হতে পারে ?
উঃ চোক কয়েল শর্ট, চোক কয়েল কাটা।
২। প্রঃ টিউব লাইট কত ফুট লম্বা কত ওয়াটের হয় ?
উ : ৪’ফুট ৪০ ওয়াট এবং ২’ফুট ২০ ওয়াট সাধারনত।
৩। প্রঃ স্টার্টার ছারা টিউব লাইট জ্বালানো যায় কি ?
উঃ হাঁ যায়,পুশ বাটন সুইচ ব্যবহার করে অথবা তারে তারে সংযোগ করেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে হয়।
৪। প্রঃ টিউব লাইট এক বার জ্বলে আবার পর মুহুর্ত্তেই নিভে এরূপ করতেছেদোষ কোথয় ?
উঃ স্টার্টার খারাপ কাজ করতেছে না।

৫। প্রঃ টিউব লাইটের দুই দিক জ্বলে থাকে পূর্ন ভাবে জ্বলে নাকারন কি ?
উঃ টিউবের ভিতর প্রয়োজনীয় গ্যাস নাই, অথবা প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাচ্ছেনা, অথবা স্টার্টার সার্কিট ব্রেক করতেছে না অথবা চোক কয়েল দুর্বল হয়েপরেছে।
৬। সুইচ অফ করা সত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাত্তয়া যায়
উ :সুইচ লাইনে ব্যবহার না করে নিউট্রালে ব্যবহার করা হয়েছে।
দুই পিস সকেটের উভয় পিনে টেষ্টার জ্বলে কিন্তু বাতি জ্বলে না
উ: নিউট্রাল পাচ্ছে না।
৮। বাসার সকল লোড অফে থাকা সত্বেও মিটার ঘুরে
উ : ওয়্যারিং কোথাও আর্থ পেয়ে গিয়েছে।
৯। কলিং বেলের আওয়াজ খুব বেশী কি ভাবে কমাবে ?
উ : কম পাওয়ারের বাতি কলিং বেলের সাথে সিরেজে ব্যবহার করে।
১০। বাতির কাঁচ ভেঙ্গে গেলে ফিলামেন্ট হতে আর আলো বের হয় না কেন ?
উ: ফিলামেন্ট অক্্িরজেন পায় বিধায় ইহা জ্বলে যায়।
১১। সান্ট ফিল্ডের কয়েল চিকন তারের অধিক প্যাঁচের এবং সিরিজ ফিল্ডের কয়েল মোটা তারের কম প্যাঁচের থাকে কেন ?
উ: কারন সান্ট ফিল্ড পূর্ণ ভোল্টেজ পায় এবং সিরিজ ফিল্ড পূর্ণ লোড কারেন্ট পায়।
১২। একটি ডিসি জেনারেটর পূর্ণ স্পিডে ঘুরতেছে কিন্তু ভোল্টেজ উৎপন্ন হইতেছে নাকারন কি?
উ: (১) ফিল্ডে রেসিডিয়্যাল মেগনেটিজম নেই
(২) জেনারেটর উল্টা ঘুরতেছে
(৩) ফিল্ডের কয়েল ওপেন
(৪) আর্মেচার কয়েল ওপেন
(৫) কার্বন ব্্রাস কম্যুটেটরে সংযোগ নেই।
১৩। একটি ডিসি মোটর উল্টা ঘুরতেছে কি ভাবে ঠিক করেবে?
: হয় ইহার ফিল্ডের কানেকশন না হয় আর্মেচারের কানেকশন উল্টাইায়া দিতে হবে
১৪। স্টার্টার মোটরর্স্টাট দেয়া ছারা আর কি কি কাজ করে?
উ: ইহা ওভার লোডে এবং সাপ্লাই চলে গেলে মোটরকে সোর্স হতে আপনা আপনি বিচ্ছিন্ন করে।
১৫। স্টার্টারের হাতল শেষ প্রান্তে থাকে না
উ: হোলডিং কোয়েল কাজ করে না, খারাপ।
১৬। একটি ১০ হর্স পাওয়ারের মোটর দ্বারা ১০ হর্স পাওয়ারের জেনারেটর ঘুরিয়ে তাহা হতে ১০ হর্স পাওয়ার জেনারেশন পাওয়া যাবে কি?
উ: না, কারন কখনও ইনপুট আউটপুট সমান হয় না।
১৭। ডায়নামো কি ?
উ: ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।
১৮। আর্মেচার লোহার তৈরি কিন্তু কম্যুটেটর তামার তৈরির কারন কি ?
উ: কারন আর্মেচার ম্যাগনেটিক ফিল্ডে থাকে আর কম্যুটেটর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের বাইরে থাকে।
১৯। কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?
উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।
২০। এক ফেজ মোটরের দোষ কি ?
উ: ইহা নিজে নিজে র্স্টাট নিতে পারে না।
২১। তিন ফেজ হতে এক ফেজ নেয়া যায় কি ?
উ: হ্যাঁ, যদি স্টার কানেকশন থাকে, তবে একটি লাইন ও নিউট্রালে এক ফেজ সাপ্লাই পাওয়া যায়।
২২। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি?
উ: পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না, না হয় ক্যাপাসিটর দুর্বল না হয় বল বিয়ারিং জ্যাম, না হয় কয়েলের ইন্সুলেশন দূর্বল।
২৩। পাখা পূর্ণ বেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উ: পাখার ব্লেডের বাক কম না হয় পাখার পিছনে প্রয়োজনীয় ফাকা জায়গা নেই।
২৪। পাখা উল্টা ঘুরে গেলে কি ভাবে ঠিক করবে ?
উ: ক্যাপাসিটরের কয়েল কানেকশন বদল করে, আথবা হয় রানিং না হয় র্স্টাটিং কয়েল বদল করে ঠিক করা যায়।
২৫। সিলিং ফ্যানের কোন দিকের বল বিয়ারিং সাধারনতঃ আগে খারাপ হয় ?
উ: উপরের বিয়ারিং খারাপ হয়।
২৬। সিলিং ফ্যান স্টার্ট দেওয়ার সংঙ্গে সংঙ্গে ইহার কানেকটিং রডে খট খট আওয়াজ হয়ে পরে আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উ: ইহার রডে রাবার বুশ নেই।
২৭। কোন মোটর এসি এবং ডিসি উভয় সাপ্লাই চলে ?
উ: ইউনিভার্সাল মোটর (ডিসি সিরিজ মোটর) ।
২৮। তিন ফেজ মোটর উল্টা ঘুরতেছে, কিভাবে ঠিক করবে ?
উ: ইহার যে কোন দুই ফেজের জায়গা বদল করে দিতে হবে।
২৯। তিন ফেজ ১০ ঘোড়া ইন্ডাকশন মোটর ফুল লোডে কত কারেন্ট নিবে ?
উ: ১৫ এম্পিয়ার (প্রতি ঘোড়া ১.৫ এম্পিয়ার হিসাবে)।
৩০। তিন ফেজ মোটর স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নেয় না গোঁ গোঁ শব্দ করে
উ: (১) তিন ফেজের – কোন এক ফেজে সাপ্লাই নেই
(২) মেইন সুইচে কোন ফেজের ফিউজ নেই
(৩) মোটরের তিন ফেজ ওয়াইন্ডিং এর কোন ফেজ কাটা, সাপ্লাই পাচ্ছে না
(৪) বল বিয়ারিং খুব জ্যাম
(৫) মোটরের স্যাপ্ট বাঁকা হয়ে গিয়েছে।
৩১। চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরেরএক ফেজ চলে গেলেকি হবে ?
উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়েযাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটরসঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটরজ্বলে যাবে।
৩২। তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?
উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।
৩৩। স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?
উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্টসাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)
৩৪। একটি তিন ফেজ মোটরেরবডিতে টেস্ট বাতির এক মাথা সংযোগ করে অন্য মাথাসাপ্লাই এর সাথে সংযোগ করলে বাতি পূর্ণ ভাবে জ্বলে, ইহাতে কি বুঝা যায় ?
উ : মোটরের বডি ভাল ভাবে আর্থ করা হয়েছে।
৩৫। ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?
উ : মেগার দ্বারা।
৩৬। আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?
উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবামোটামুটি ভাবে একটি ১০০ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে।
৩৭। আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?
উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।

৩৮। কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?
উ : অটো ট্রান্সফরমার।
৩৯। এক ফেজ ট্রান্সফরমার দ্বারা তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি ?
উ : হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টাকানেকশন করে।
৪০। ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করাথাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকারআওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।
৪১। ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে
(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।
৪২। সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।
৪৩। ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।
৪৪। ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমেবাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতেবাহির হয়ে যায়।
৪৫। বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরেরসংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরেত্রুটি দেখাদিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।
৪৬। গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।
৪৭। ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?
উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।
৪৮। জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।
৪৯। ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটাতারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষকমানোর জন্য।
৫০। সি.বিকি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণলাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।
৫১। .সি কেডি.সি এবং ডি.সিকেএ.সিকি ভাবে করা হয় ?
উ :এ.সি কে ডি.সি করা হয় রেকটিফায়ার ও রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং ডি.সি কে এ.সি করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

মনলচর মচত্রটিলত িম্পূণথপ্রকৃয়াটিলক িহেিালি সদখালনা হলয়লে-

ইলেকট্রিকযাে পাওয়ার ট্রান্সমিশন ও মিমিমিউশন মিলেলি সয িকে সকাম্পামন এিি কাে িুষ্ঠুিালি কলর র্ালক
শুধু িাত্র একটি সকাম্পামন এই এতগুলো কঠিন ও েটিে কাে একা করলত পালর না। এই পুলরা প্রলিি টা ঠিক িালি করার
েনয অলনক গুলো সকাম্পামনর এক হলয় কাে করলত হয়। সযিন
মিমপমিমি (BPDB – Bangladesh Power Development Board ):
িাংোলদশ পাওয়ার সিলিেপলিন্ট সিািথ । অর্থাৎ সযলকান োয়গা সর্লক মিদ্যযৎ উৎপাদলনর কাে িাংোলদলশ এক িাত্র
এরাই কলর র্ালকন। অনয সকান সকাম্পামন এটা করলত পালর না।
মপমেমিমি (PGCB – Power Grid Company Bangladsh ): পাওয়ার মিি সকাম্পামন িাংোলদশ। শুধু িাত্র এনারাই
পুলরা িাংোলদলশ পাওয়ার ট্রান্সমিশন কলর র্ালক। তার িালন সদলশ এক োয়গা সর্লক অনয োয়গায় মিদ্যযৎ িঞ্চােন করাই
এলদর িূে কাে।
ইলেকট্রিকযাে পাওয়ার ট্রান্সমিশন ও মিমিমিউশন মিলেি
মিমিমিউশন
এিার আিা যাক এই ট্রান্সমিশন োইন সর্লক আিরা অর্থাৎ িাধারন সিাক্তা মকিালি মিদ্যযৎ পায়। এর েনয সিশ কলয়কটি
প্রমতষ্ঠান কাে কলর র্ালক । সযিন
সিিলকা (DESCO – Dhaka Electric Supply Company Limited ): এরা শুধু িাত্র ঢাকা সোন সক কিার কলর।
ঢাকার িাইলর এরা সকান িযমক্ত িা প্রমতষ্ঠানলক োইন মদলত পালর না। পুলরা ঢাকা এই সকাম্পামনটিই পাওয়ার িাপ্লাই সদয়।

মিমপমিমি, আর ই মি (BPDB, REB ): এলদর কাে পুলরা িাংোলদশ কিার করা। এলককটি সকাম্পামন তালদর ষুদুর ক ষুদুর ক
িাি সোলন তালদর অঞ্চে গুলোলক িাগ কলর সনয়। এলত তালদর কাে আরও িহে হলয় উলঠ।

ট্রান্সমিশন_োইন
ট্রান্সমিশন োইন প্রধানত ২ ধরলনর হলয় র্ালক ।
১। ওিার সহি
২। আন্ডারিাউন্ড

ওভার হেি ট্রান্সমিশন োইন
আিরা অলনক িিয় িালির িামড়লত সগলে অর্িা ভ্রিলনর িিয় দূলর তাকালে সদখলত পাই সয অলনক িড় িড় টাওয়ার
িালঠর িলধয মদলয় অিমস্থত। এিং তার িালর্ অলনক সিাটা সিাটা তার োগালনা। িূেত এগুলো সক ওিার সহি ট্রান্সমিশন
োইন িলে। অর্থাৎ িার্ার উপর মদলয় এগুলোর োইন চলে যায়। এই প্রমিয়ার সিশ মকেু িিিযা আিার উপকামর মদক

উিয়ই আলে। সযিন-
অিুমিধা

এগুলো অলনক োয়গা মনলয় মিস্তৃত হলয় র্ালক যমদ সকান ইন্সট্রুলিন্ট নষ্ট িা ষুদমতিস্থ হলয় র্ালক তাহলে এগুলো িাড়ালত
অলনক খরচ হয়।

িুমিধা
মকন্তু এগুলোর িুমিধাও কি নয়, সযিন
এগুলো এিালরে সরট ৬৬ মকলোলিালল্টর উপলর মিদ্যযৎ পাি করালনা িম্ভি এিং মনরাপদ। যমদ সকার্াও োইন ফল্ট সদখা
যায় তলি তা মনণথয় করা িহে।
তাোড়া এগুলো িানালত িা স্থাপন করলতও অলনক কি খরচ হয় তূেণািূেক িালি।

 

আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রান্সমিশন োইন
এই ধরলনর ট্রান্সমিশন োইন িেলত িুঝায় সযিি োইন িাটির মনচ মদলয় পাি করালনা হয় । তলি িাটির মনচ মদলয় পাি
করালনা োইন খুিই মিপজ্জনক হলত পালর । তাই িাংোলদলশ আপাতত ওিারলহিলকই সিমশ গুরুত্ব সদওয়া হলয়লে।
এধরলনর আন্ডারিাউন্ড ট্রান্সমিশন োইলনর মকেু িুমিধা ও অিুমিধা হে-
অিুমিধা
এগুলো িানালত িা সকান োয়গা মদলয় স্থাপন করলত অলনক খরচ হয়। অর্থাৎ এগুে খুি ই িযয় িহুে।
তাোড়া এই প্রমিয়ায় সয তার িযিহার করা হয় সিগুে আর ১০ টি তালরর িত এত মিম্পে ও না। সিশ কলয়কটি সকাটিং
করা র্ালক এ ধরলনর গালয়। তলি এটি অলনক কি োয়গা খরচ কলরই পাি হলয় সযলত পালর।
এর আলরকটি প্রধান িিিযা হে এটার িযামািাি োইন সিালল্টে মেমিট ৬৬ মকলোলিাল্ট। অর্থাৎ এর উপলর মিদ্যযৎ পাি
করালে মিপজ্জনক পমরমস্থমতর িৃমষ্ট হলত পালর। আিার এই োইলনর িলধয যমদ সকান িিিযা সদখা যায় তলি তা মনণথয়
করলত অিস্থা প্রায় সকলরামিন হলয় যায়।
িুমিধা
পমরেন্ন িালি িাোলনা যায়। অর্থাৎ, রাস্তাঘাটালট কযািে ঝু েলত সদখা যায় না।
এিিস্ত মদক মিলিচনা কলর িাংোলদলশ আন্ডারিাউন্ড োইন এর পমরিলতথ ওিার সহি ট্রান্সমিশন োইন পদ্ধমতলকই সিমশ
গুরুত্ব সদওয়া হয়।
প্রশ্ন
অলনলক েিু ইমিমনয়ামরিং পড়ুয়ালের িলনই েয়ত এতক্ষলন প্রশ্ন এলি হেলে হে- এই ইলেকট্রিকযাে োইন
গুলোলত মিমি িযিোর না কলর এমি িযিোর করা েয় হকন?

উির এখালন িো িাহুেয সয-
হাই সিালল্টে মিমি এর সচলয় হাই সিালল্টে এমি অলনক িাশ্রয়ী।

হাই সিালল্টে ট্রান্সমিশলন মিমি এর সষুদলত্র সয যন্ত্রপামত গুলো িযিহার করা হয় সিগুলো অলনক িযয় িালপষুদ।
োইলনর সকার্াও সকান ফল্ট সদখা মদলে তা সির করলত করলত মকয়ািত ও চলে আিলত পালর।
আর প্রধান সয মিষয়টি সিটি হে মিমি হাই সিালল্টে সক সেপ আপ করাটা খুি খুি কষ্ট িালপষুদ।

ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সমিশন (বেসিক)

 

তার ছাড়া বিদ্যুৎ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নেওয়া সম্ভব? কিংবা ওয়্যারলেস মোবাইল চার্যার বানাতে চাই ?
এই হলো এখনকার একটি সাধারণ জিজ্ঞাসা। এই জিজ্ঞাসাকে একটু সহজ করবার জন্য আজকের পোষ্ট। আমরা খুব বেশী তত্ত্বের ভিতরে যাব না। খুব সাধারণ ভাবে একটা সার্কিট দেখাব। যা দিয়ে কোন প্রকার তারের সংযোগ ছাড়া বিদ্যুৎ চালনা করা যাবে। আমি এই লেখার কমেন্ট অংশে আলোচনা চালাতে আগ্রহী। এর জন্য এই পোষ্টে শুধু বেসিক সার্কিট টা দেব। আলোচনার মাধ্যমেই ও পড়বার মাধ্যমে শিখা যাবে। তবে না পড়ে শুধু প্রশ্ন করলেও কিন্তু শিখবার উপায় নাই।  চলুন তবে সার্কিট টি দেখি —

পরিচ্ছেদসমূহ [আড়াল করুন]

ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সমিশন (বেসিক) সার্কিট

রিসিভার অংশঃ

খুবই সহজ একটি সার্কিট। একটি ট্রানজিস্টর, একটি রেজিস্টর, একটি এলইডি। আর কিছু সুপার এনামেল ওয়্যার (চিকন হলেই হবে/৩০ গেজ)।

কয়েল তৈরী:

প্রথমে একটি এক ইঞ্চি ব্যাসের ফর্মাতে এনামেল ওয়্যার ৩০-৪০ প্যাচ দিয়ে এর দুই প্রান্ত ছবির মত করে এলইডিতে সংযোগ দিন। আরেকটি কয়েল তৈরী করতে আগের মতই এক ইঞ্চি ব্যাসের ফর্মাতে ৩০ প্যাচ দিন। তবে ১৫ প্যাচের পর একটি প্রান্ত বের করে রাখেন।

এইবার সার্কিটের মতো করে কানেকশন করে দিন। একটি ১.৫ ভোল্ট ব্যাটারী থেকে সাপ্লাই দিয়ে এলইডি সহ কয়েল টি সমান্তরাল করে সার্কিটের কয়েলের কাছে আনুন। দেখবেন এলইডি জ্বলতে শুরু করবে। ট্রানজিস্টর হিসাবে যে কোন এন পি এন (NPN) ট্রানজিস্টর ব্যবহার করতে পারেন যেমন BC547, BC337, BC107, C828, D400, D882 ইত্যাদি।

 

 

 

বিল্ডিং তৈরিতে কতটুকু- রড, সিমেন্ট, ইটের প্রয়োজন হিসাবটি জেনে রাখুন আপনিও (সহজ সূত্র)

 

 

কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি: ছোট্ট সুন্দর স্বপ্নের বাড়ি তৈরির রড সিমেন্ট ইট বালির হিসেব জেনে নিন, শেয়ার করে সংগ্রহে রাখুন

জেনে নিন মনের মতো ছোট্ট সুন্দর বাড়ি তৈরিতে রড সিমেন্ট আর ইটের যাবতীয় হিসাব নিকাশ
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ………
এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 531,36 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।
খোয়ার হিসাব
* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
বালির হিসাব
* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।
==============================================
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাস জানুনঃ
1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।

 

 

 

 

 

 

 

. . পি. জে. আবদুল কালামের সেরা ৩০ টি উক্তি পাল্টে দিতে পারে আপনার জীবন

২৭শে জুলাই ২০১৫ তারিখে পরলোকগত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান ও বিজ্ঞানী ড. এ.পি.জে. আবদুল কালাম তার জীবদ্দশায় ৮৪ বছরের দীর্ঘ ও সফল কর্মজীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দর্শন থেকে আমাদের জন্য রেখে গেছেন অসংখ্য মহামূল্যবান বানী। তার থেকে বাছাইকৃত কিছু বানী সবার জন্য নিচে তুলে ধরা হল:-

১. স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তোমাকে স্বপ্ন দেখতে হবে। আর স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখ, স্বপ্ন হল সেটাই যেটা পুরণের প্রত্যাশা তোমাকে ঘুমাতে দেয় না।

২. তুমি তোমার ভবিষ্যত পরিবর্তন করতে পারবে না কিন্তু তোমার অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারবে এবং তোমার অভ্যাসই নিশ্চিত ভাবে তোমার ভবিষ্যত পরিবর্তন করবে।

৩. একটি ভাল বই একশত ভাল বন্ধুর সমান কিন্তু একজন ভাল বন্ধু একটি লাইব্রেরীর সমান।

৪. সফলতার গল্প পড়ো না কারন তা থেকে তুমি শুধু বার্তা পাবে। ব্যার্থতার গল্প পড় তাহলে সফল হওয়ার কিছু ধারনা পাবে।

৫. জাতির সবচেয়ে ভাল মেধা ক্লাসরুমের শেষ বেঞ্চ থেকে পাওয়া যেতে পারে।

৬. জীবন এবং সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ট শিক্ষক। জীবন শিখায় সময়কে ভালভাবে ব্যবহার করতে সময় শিখায় জীবনের মূল্য দিতে।

৭. তোমার কাজকে ভালবাস কিন্তু তোমার কোম্পানিকে ভালবাসো না। কারন তুমি হয়ত জান না কখন কোম্পানিটি তোমাকে ভালবাসবে না।

৮. তুমি যদি সূর্যের মতো আলো ছড়াতে চাও, তাহলে আগে সূর্যের মতো জ্বলো

৯. ছাত্রজীবনে বিমানের পাইলট হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণে ব্যর্থ হয়ে, হয়ে গেলাম রকেট বিজ্ঞানী

১০. জীবন হলো এক জটিল খেলা। ব্যক্তিত্ব অর্জনের মধ্য দিয়ে তুমি তাকে জয় করতে পার।

১১. জটিল কাজেই বেশি আনন্দ পাওয়া যায়। তাই সফলতার আনন্দ পাওয়ার জন্য মানুষের কাজ জটিল হওয়া উচিত।

১২. পরম উৎকর্ষতা হলো একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটা হঠাৎ করেই আসে না। ধীরে ধীরে আসে।

১৩. যারা মন থেকে কাজ করে না, তাঁরা আসলে কিছুই অর্জন করতে পারে না। আর করলেও সেটা হয় অর্ধেক হৃদয়ের সফলতা। তাতে সব সময়ই একরকম তিক্ততা থেকে যায়।

১৪. জীবন হলো একটি জটিল খেলা। ব্যক্তিত্ব অর্জনের মধ্য দিয়ে তুমি তাকে জয় করতে পার।

১৫. আমরা তখনই স্মরণীয় হয়ে থাকবো, শুধুমাত্র যখন আমরা আমাদের উত্তর প্রজন্মকে উন্নত ও নিরাপদ ভারত উপহার দিতে পারবো।

১৬. যদি কোন দেশ দুর্নীতিমুক্ত হয় এবং সবার মধ্যে সুন্দর মনের মানসিকতা গড়ে ওঠে, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করি সেখানকার সামাজিক জীবনে তিন রকম মানুষ থাকবে, যারা পরিবর্তন আনতে পারেন। তারা হলেন পিতা, মাতা ও শিক্ষক।

১৭. শিক্ষাবিদদের উচিত শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুসন্ধানী, সৃষ্টিশীল, উদ্যোগী ও নৈতিক শিক্ষা ছড়িয়ে দেয়া, যাতে তারা আদর্শ মডেল হতে পারে।

১৮. তরুণ প্রজন্মের কাছে আমার আহ্বান হলো ভিন্নভাবে চিন্তা করার সাহস থাকতে হবে। আবিষ্কারের নেশা থাকতে হবে। যেপথে কেউ যায় নি, সে পথে চলতে হবে। অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহস থাকতে হবে। সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে এবং তারপর সফল হতে হবে। এগুলোই হলো সবচেয়ে মহৎ গুণ। এভাবেই তাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। তরুণদের কাছে এটাই আমার বার্তা

১৯. উৎকর্ষ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া এবং এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়।

২০. জীবন এক কঠিন খেলা। এই খেলায় জয় তখনই সম্ভব, যখন তুমি ব্যক্তি হিসেবে জন্মগতভাবে পাওয়া অধিকারকে ধারণ করবে।

২১. জীবনে সমস্যার প্রয়োজন আছে। সমস্যা আছে বলেই সাফল্যের এতো স্বাদ।

২২. যে হূদয় দিয়ে কাজ করে না, শূন্যতা ছাড়া সে কিছুই অর্জন করতে পারে না।

২৩. শিক্ষাবিদদের বিচক্ষণতা, সৃজনশীলতার পাশাপাশি উদ্যোগী হওয়ার ও নৈতিক নেতৃত্বেরও শিক্ষা দেওয়া উচিত। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেকে পথিকৃত্ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যোগ্যতা অর্জন করা উচিত।

২৫. যদি একটা দেশকে সম্পূণর্রূপে দুর্নীতিমুক্ত ও একটা জাতিকে সুন্দর মনের অধিকারী করতে হয়, তাহলে আমি বিশ্বাস করি, তিনজন ব্যক্তি এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারেন- বাবা, মা ও শিক্ষক।

২৬. আমরা শুধু সাফল্যের উপরেই গড়ি না, আমরা ব্যর্থতার উপরেও গড়ি।

২৭. একজন খারাপ ছাত্র একজন দক্ষ শিক্ষকের কাছ থেকে যা শিখতে পারে তার চেয়ে একজন ভালো ছাত্র একজন খারাপ শিক্ষকের কাছ থেকে অনেক বেশী শিখতে পারে ।

২৮. আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুপ্রতীম। যারা স্বপ্ন দেখে ও সে মতো কাজ করে, তাদের কাছেই সেরাটা ধরা দেয়।

২৯. আমি আবিষ্কার করলাম সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বেশী বিক্রি হয়ে যায় সিগারেট ও বিড়ি। অবাক হয়ে ভাবতাম, গরিব মানুষেরা তাদের কঠোর পরিশ্রমে উপার্জিত অর্থ এভাবে ধোঁয়া গিলে উড়িয়ে দেয় কেন।

৩০. কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।

 

 

 

 

সুন ইলেকট্রনিক্স ইলেকট্রিক্যালের কঠিন তত্ত্ব তথ্য গুলোকে সহজ ভাষায় করায়ত্ত্ব করি

কাঁটার ঝাঁপঃ একটি অলৌকিক ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

 

যারা গ্রামে থাকেন বা চরক পূজার সাথে পরিচিত তারা অনেকে দেখেছেন যে অনেকে খালি গায়ে কাঁটার ঝোপে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু তাদের এক প্রকার কিছুই হয়না৷ বেশির ভাগ সময় এটাকে অলৌকিক বা জাদুকরী ঘটনার সাথে তুলনা করা হয়। কিন্তু এটা মোটেও অলৌকিক কোন…

আরো পড়ুন

ওহম এর সূত্র – একটি বৈজ্ঞানিক সূত্রের অবৈজ্ঞানিক প্রমাণ

ইলেকট্রনিয় রঙ্গ S. B. Dada – September 26, 2015

11

ইলেকট্রনিক্সের সাথে জড়িত কিংবা ইলেকট্রনিক্স সম্পর্কে ধারণা রাখেন অথচ ওহমের সূত্রের নাম শোনেননি, এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুঃস্কর। ওহমের সূত্র না জেনে ইলেকট্রনিক্সের কাজ করা আর চোখ বেঁধে সোনামুখী সূচে সুতা পরানো একই কথা। বিশিষ্ট জার্মান বৈজ্ঞানিক জর্জ সায়মন ও’ম…

আরো পড়ুন

ফ্রি এনার্জি কি আসলেই ফ্রি?

ইলেকট্রনিয় রঙ্গ সৈয়দ রাইয়ান – September 25, 2015

3

ইদানীং তরুণ সমাজের মাঝে ফ্রি এনার্জি নিয়ে দারুণ উৎসাহ উদ্দিপনা দেখি। বিজ্ঞান প্রেমী হোক বা সাধারণ মানুষ, সবার কাছেই একি কথা, ফ্রি এনার্জি কি ভাবে পাই?? যে ভাবে বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ছে!(ফ্রি এনার্জি মেশিন বলতে এখানে Perpetual Motion Engine/ Free running…

আরো পড়ুন

ফ্রি এনার্জি কি আসলেই ফ্রি?

লিখেছেনঃ

সৈয়দ রাইয়ান

September 25, 2015

3

784

ফেইসবুক শেয়ার

 

টুইট

 

ইদানীং তরুণ সমাজের মাঝে ফ্রি এনার্জি নিয়ে দারুণ উৎসাহ উদ্দিপনা দেখি। বিজ্ঞান প্রেমী হোক বা সাধারণ মানুষ, সবার কাছেই একি কথা, ফ্রি এনার্জি কি ভাবে পাই?? যে ভাবে বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ছে!

(ফ্রি এনার্জি মেশিন বলতে এখানে PERPETUAL MOTION ENGINE/ FREE RUNNING ENGINE বোঝানো হয়েছে যা কিনা ব্যহ্যিক কোনো শক্তি ছাড়াই নিজের উৎপন্ন শক্তি দিয়েই চলে সাথে অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালানোর উপযুক্ত শক্তি সরবরাহ করতে পারে)

  • (১) একটা ব্যাটারি দিয়ে মোটর চালাবো। আবার সেই মোটরের সাথে একটা ছোটজেনারেটর থাকবে। যা কিনা বিদ্যুৎ তৈরি করবে মোটর ঘুরবার সাথে সাথে। আবার সেই জেনারেটর থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ কে আবার ব্যাটারি তে দেয়া হবে। অথবা,
  • (২) কোনো ম্যাগনেট কে কয়েলের চারিপাশে ঘোরানো হবে। তাতে কয়েলে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে তা দিয়ে আবার একটা ছোট মোটর বা ইলেকট্রিকাল ম্যাগনেট কে চালানোহবে।

ইত্যাদি ইত্যাদি বিভিন্ন উপায় বাৎলানো আছে যা ইউটিউব ঘাটলে পাওয়া যায়। সেদিন তো শুনলাম আমাদের দেশেও নাকি কোন কম্পানি এক বিশেষ আইপিএস তৈরি করেছে যার ব্যাটারি সারা বছরে মাত্র এক বার চার্জ দিলেই বাকি ৩৬৪ দিন চলবে! নলকূপ চেপেও নাকি ব্যাটারি চার্জ দেয়া যাবে এমন খবর ও শুনতে পেলাম!

বাহ, বাহ, বেশ;
জ্ঞানে বিজ্ঞানে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ(!)

ভাবতে ভালোই লাগে।

তবে আমি ঐ সব গুরু তত্ত্ব কথা- কিভাবে হয়, কেন হয় বা হয়না- তার ভেতরে যাবো না। আমার শুধু একটা প্রশ্ন জাগে মনে যে ফ্রি এনার্জি যদি আবিষ্কার করা হয় তা কি আসলেই ফ্রি হবে? নাকি তা ফ্রি থাকা সম্ভব?? শুধু উৎপাদনের দিক থেকে নয় বরং বিলি বন্টনের দিক থেকে চিন্তা করলে?

পরিচ্ছেদসমূহ [আড়াল করুন]

আসুন একটু ভাবি আর আমাদের কল্পনার ঘোড়া গুলোর লাগাম ছেড়ে দেই

ধরুন, আজকে ভোরে স্বপ্নে এমনি একটা যন্ত্র দেখলাম। আর সকালেই কাজে লেগে তা বানিয়েও ফেল্লাম! বাহ! মহা আবিষ্কারক হয়ে যাওয়ার খুশিতে আমি আত্মহারা। ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস ও দিয়ে দিলাম যে আমি অমুক পদ্ধতিতে ফ্রি এনার্জি আবিষ্কার করেছি। বেলা গড়িয়ে দুপুর হবার আগেই আমার ইনবক্স আর ফোনের জ্বালায় মোবাইল ও ফেসবুক কোম্পানি দিশেহারা কি ভাবে কি সামাল দেবে! এর পর শুরু হলো আসল ঝামেলা!

বেলা গড়িয়ে দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ আর তেলের ব্যবসায়ী সকল যোগাযোগ করতে শুরু করল- “তোমার জিনিস আমার কাছে বেচে দাও”। ধরে নিলাম আমি মহৎপ্রাণ। এই আবিষ্কার সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেবো এই উদ্দেশ্যে কাজ করছি। তাই স্বভাবতই কারো কাছে বিক্রি করবো না।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে না হতেই বিখ্যাত কোনো এক পাওয়ার প্ল্যানট এর প্রতিনিধি হাজির এবং তাকেও সসম্মানে একই উত্তর দিয়ে ফিরিয়ে দেয়ার পর আমার অবস্থা কি হতে পারে?

একটু সহজ ভাবে ভাবি চলুন, ধরুন আপনি এক জন ব্যবসায়ী। আপনার কাজই হচ্ছে আপনার উৎপাদিত পণ্য সবার মাঝে পৌঁছে দেয়া। অবশ্যই টাকার বিনিময়ে। এমনকি আপনার অনেক নামডাক ও আছে যে আপনি  সৎ ব্যবসায়ী। তো যখন আপনি শুনবেন যে অমুক এলাকার এক ছেলে এই জিনিস আবিষ্কার করছে তখন কি হবে? আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না যে সবাই আপনার পণ্য না কিনে ঐ ছেলের কাছ থেকে জিনিস টা নিয়ে ব্যবহার শুরু করুক? নিজের ব্যবসার ক্ষতি কেই বা চায় বলুন! কেউ কেউ একটু চিকন বুদ্ধি সম্পন্ন। তারা মুখে “ছেলেটার পাশে দাঁড়াই, ছেলেটা কত ভালো, এগিয়ে যাও ভায়া আমি তোমার জন্য আছি” ইত্যাদি বিভিন্ন কথাবার্তা বলবেন। তাও আসলে নিজের ব্যবসা ঠিক রাখবার জন্যই।

উপরন্তু যদি এমন হয় যে আমি (ঐ ছেলে) সেই আবিষ্কার একদম উন্মুক্ত করে দিলাম। যার খুশি সেই বানিয়ে ব্যবহার করুক তখন?? আপনার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে! হায় হায়, ঐ ছেলের কাছ থেকে সবাই সেই মেশিন নিয়ে ব্যবহার শুরু করে দিলে তো আপনার উৎপাদিত বিদ্যুৎ আর লসেও বিক্রি করতে পারবেন না!

সহজ কথায় সেই ছেলে আপনার ব্যবসার বারোটা নয় আঠারো টা বাজিয়ে ছাড়বে! আপনি যদি খুব ভালো মানুষ হন তাহলে সে ছেলের কাছে গিয়ে অনুরোধ করবেন যেন তার আবিষ্কার টা আপনার কাছে বিক্রি করে দেয়। যদি দেয় তাহলে তো আপনি কোটি পতি থেকে লক্ষ কোটি পতি হয়ে যাবেন বলাই বাহুল্য! আর ঐ এক কালিন টাকা দিয়ে সেই ছেলে যেখানে ছিলো সেখানেই ফিরে যাবে। আচ্ছা এমন যদি হয় যে সে ছেলে আপনার
কাছেও বেচলো আবার আপনার বিপরীত ব্যবসায়ীর কাছেও বেচলো তখন? তখন আপনার টাকা গুলোই শুধু জলে যাবে! কারণ ফ্রি এনার্জি
আর কত দামেই বা বেচবেন বলেন? অবশ্য এসব ঝামেলা না করেও কাজ হাসিল করতে পারেন আপনি!

কিভাবে?

কিছুই না, শুধু ঐ ছেলে কে ধরে একটা ভূয়া কেস এ জড়িয়ে তার চৌদ্দ গুষ্ঠি কে ঘোল খাওয়াবেন! তখন সে ছেলে কই যাবে হারায়ে— তার জীবন আর পরিবার নিয়েই তখন সংশয়ে কাটবে! তখন কই সময় পাবে এই সব জনদরদী গবেষণার! আবার তাকে ব্রেন ওয়াশের চেষ্টাও করতে পারেন! ভুলিয়ে ভালিয়ে তার যন্ত্র তাঁকে দিয়ে বানিয়ে, দিতে পারেন লাথি!

আর হয়তো আপনি ভালো মানুষ। এমন কিছু করবেনই না কিন্তু আপনার সাথের ব্যবসায়ীরা যে করবে না তার গ্যারান্টি কিন্তু নেই। আচ্ছা মনে করুন আপনি সেই আবিষ্কারক আর আপনি ব্যবসাও বেশ ভাল বোঝেন। তো আপনি করলেন কি আপনার আবিষ্কৃত যন্ত্রটি স্বল্প মূল্যে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে বাজারে ছেড়ে দিলেন। অবশ্যই সবার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে দাম ধরলেন। আবার অন্য উৎপাদকদের সাথে পাল্লা দিতে আর তাদের চক্ষুশূল না হতে দামটাও রাখলেন তাদের সাথে মিলিয়ে বা কিছু কম! তখন কি হবে?
হেহে, বাঙ্গালি অনেক বুদ্ধিমান প্রাণি। তা না হলে ধোলাইখাল আর ফুটপাথে চাইনিজ কম্পানির তৈরি বাংলা ভার্শন বালু ভরা পাওয়ার ব্যাংক বা গাড়ির দুই নাম্বার পার্টস পাওয়া যেতো না!
সহজ কথায় ২ দিনের মাথায় তার ডুপ্লিকেট বের হবেই! তখন আপনার এই ফ্রি এনার্জি মেশিন রাস্তায় বিক্রি হবে। তাও আপনার চেয়ে কম দামেই!
আমি পেলেও বানাতাম, ফ্রী এনার্জি বলে কথা!

তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই ফ্রি এনার্জি আছে, তা হলেও দেখা যাচ্ছে ফ্রি এনার্জি নিয়ে যতোই হাঙ্কিপাঙ্কি হোক, তা আদতে আসলে ফ্রিই থাকছে না!

সারা দুনিয়ার বৈশ্বিক পাওয়ার/তেল এনার্জি সঙ্কটে এগুলো ফ্রি নামে শুধু লোকের চোখে আগের দিনে প্রচলিত ভানুমতী খেল বা হাত সাফাই ছাড়া আর কিছুই নয়!

পরিশিষ্টঃ

আমাদের চেনা বিজ্ঞান ও এর আবিষ্কৃত সকল যন্ত্রপাতি যে সকল সূত্রানুসারে চলে তাতে এখন পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। কারণ তা শক্তির নিত্যতা সূত্রকে লঙ্ঘন করে। ক্ষেত্র বিশেষে পরীক্ষকের ভূল, যন্ত্রের পারিপার্শ্বিক অবস্থা এমন ফলাফলের জন্য দায়ী। আর বাস্তবতার নিরিখে এটি আবিষ্কার হলেও তা আদতে ফ্রি থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

 

 

 

বিভিন্ন অডিও সিস্টেম ও অডিও রেকর্ডিং সিস্টেমের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

 

পরিচ্ছেদসমূহ 

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১৮৫৭ সালে শব্দ ধারনের জন্য প্রথম যন্ত্র আবিস্কার হয় যার নাম ফনোটোগ্রাফ এবং যার আবিষ্কর্তা এডওয়ার্ড লিয়ন স্কট মার্টিন (Édouard-Léon Scott de Martinville) নামের ফরাসী এক ছাপাখানার মালিক ও বই বিক্রেতা। এই যন্ত্রে শুধুমাত্র শব্দ ধারণ করা যেতো কিন্তু শব্দকে আবার শুনবার কোন ব্যবস্থা ছিলো না। শুধুমাত্র শব্দ তরঙ্গের আকার-প্রকার কে ধারক এর মধ্যে কেমন হয় সেটা দেখা যেতো। পরবর্তীতে বিখ্যাত আমেরিকান উদ্ভাবক ও আবিস্কারক টমাস এডিসন (Thomas Edison) ১৮৭৭ সালে ধারনকৃত শব্দকে পুনরুৎপাদনের জন্য তৈরী করেন ফনোগ্রাফ বা গ্রামোফোন। পদ্ধতিটা ছিলো একটি চোঙ এর সামনে শব্দ তৈরী করলে যে কাপুনি তৈরী হয় তা একটি মোম/সমজাতীয় বস্তুর ঘুর্নায়মান ও ক্রম চলমান ড্রামের উপর সুক্ষ পিনের সাহায্যে ধারণ করে আবার সেটাকে প্রথম থেকে সেট করে ঘুরিয়ে ধারন করা শব্দকে বাজানো। মুলত এটিই প্রথম অডিও রেকর্ডিং সিস্টেম ও শব্দ ধারণ করবার প্রাথমিক ইতিহাস।

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন ও তাঁর আবিষ্কৃত ফনোগ্রাফ/গ্রামোফোন মেশিনের পেটেন্ট

এর মাঝে অনেক বিজ্ঞানী এটাকে অগ্রসরের জন্য কাজ করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে শব্দ ধারণ ও পুনরুৎপাদন এখন একটি বড় শিল্প। বিশ্বে গড়ে উঠেছে বড় বড় স্টুডিও। সিনেমাতে শব্দ ও গান শুনবার জন্য শব্দকে ধারণ ও পুনরুৎপাদন করতে গিয়ে মূলত এই শিল্প ও টেকনোলজীর বিকাশ ঘটেছে। প্রথম দিকের সম্পুর্ণ মেকানিক্যাল ডিভাইস থেকে বর্তমানে এটা ডিজিটাল প্রযুক্তিতে পরিণত হয়েছে। প্রথম দিকের এক চ্যানেল থেকে এখন এটা সর্বোচ্চ ১১ চ্যানেল হয়েছে।

বিভিন্ন অডিও চ্যানেল ও শব্দ পুনরুৎপাদন পদ্ধতির বিকাশ

এই এক চ্যানেল বা একটি ধারণ মাধ্যম কে সাধারণ ভাবে মনো সাউন্ড বলা হয়ে থাকে। বুঝবার সুবিধার জন্য যদি ধরি একটি গানের কথা। একটি গান গাইবার সময় গায়ক ছাড়াও যন্ত্র বাজানোর জন্য আরও একাধিক ব্যক্তি থাকে। এখন এই মনো পদ্ধতিতে যদি একটি মাত্র মাইক্রোফোনের মাধ্যমে শব্দ ধারণ করা যায় তবে ঐ এক চ্যানেলেই গায়কের গলা ও তার সাথে বাজানো শব্দ রেকর্ড হবে। এবার এই ধারণ করা শব্দ যত আধুনিক পুনরুৎপাদন যন্ত্র দ্বারাই বাজানো হোক না কেনো সেটা ঐ এক চ্যানেলকেই বাজাবে। অর্থাৎ এটা মনো শব্দই থাকবে।

প্রথম দিকে এই মনো শব্দই ধারণ করা হতো কিন্তু দিন যাবার সাথে সাথে এটা বুঝা গেলো যে এভাবে ধারণ করা শব্দ বাস্তব লাগে না, কারণ আমাদের কান দুইটি এবং গায়ক গান গাইবার সময় গায়কের গলা ও বাদ্য যন্ত্রের সকল শব্দ এভাবে ধারণ ও পুনরুৎপাদন করলে আমরা সব শব্দ আসলে বাস্তবের মতো শুনতে পাই না।

এরপর আসলো স্টেরিও শব্দ ধারণ পদ্ধতি অর্থাৎ দুই চ্যানেলে শব্দকে ধারণ করা। এবং তা আবার দুই চ্যানেলেই পুনরুৎপাদন করা। মেকানিক্যাল যুগ থেকে শব্দ ইলেকট্রিক্যাল যুগে প্রবেশ করবার পর এটা করা সম্ভব হলো। শব্দকে শুধু ধারন ও পুনরুৎপাদন করাই নয় সম্ভব হলো একে বিবর্ধিত করা, পরিবর্তন করা ও পরিবর্ধিত করা।

দুটো আলাদা শব্দ বিবর্ধক দিয়ে দুই চ্যানেলে ধারণ করা শব্দকে বিবর্ধিত করবার পাশাপাশি, দুই কান যেন বুঝতে না পারে দুই পাশে দুই রকম শব্দ হচ্ছে – এমন সমস্যা মিক্সিং এর মাধ্যমে দূরকরা হলো। এটাকে বলে অডিও মাল্টিপ্লেক্সিং – আমাদের কান যেনো বুঝতে না পারে শব্দ দুই দিক থেকে দুই রকম আসছে। একবার ভাবুন তো গান হচ্ছে, আপনার দুই পাশে দুটো স্পীকার। একটি থেকে খালি গায়কের গলা আর একপাশ থেকে শুধু বাজনা আসছে কেমন লাগবে শুনতে!!! মোটেও শ্রুতিমধুর লাগবে না এটা। এই সমস্যা তাই দূরকরা হলো। এই অল্প কিছুদিন আগের ম্যাগনেটিক টেপ দিয়ে আপনার শোনা গান (ক্যাসেট প্লেয়ার) আসলে এই স্টেরিও প্রযুক্তি ছিলো। এর জন্যই এর নাম স্টেরিও বলতেও শোনা যেতো।

শ্রবণ ক্ষমতা নির্ভর অত্যাধুনিক ডিজিটাল অডিও সিস্টেম এর ব্লক ডায়াগ্রাম

এরপর শব্দ ডিজিটাল জমানায় আসলো – শুরুটা হয়েছিলো ২:১ প্রযুক্তি দিয়ে যাতে করে শব্দকে আরও ডিটেইল ভাবে ধারণ করা যায় সেই সাথে শুনবার জন্য পুনরুৎপাদন করা যায়। এখন এটা ৫:১ থেকে এখন ১০:১ পর্যন্ত আছে। এর বাইরেও বিভিন্ন আকারে প্রকারে আছে শ্রোতার পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী। নিচে এমনি একটি ৫:১ অডিও সিস্টেমের ছবি দেখতে পাচ্ছি-

একটি ৫:১ অডিও স্পীকার সিস্টেম

আমি স্টেরিও ও মনো সাউন্ড নিয়ে আসলে বলতে চেয়েছি এখানে। স্টেরিও ও মনো সাউন্ড আসলে কি তা আশা করি বুঝা গেছে। আসল ব্যাপার হলো রেকর্ডিং পর্যায়। রেকর্ডিং যদি মনো হয় তবে যত চ্যানেলেই বাজানো হোক না কেনো সেটা কখনই স্টেরিও সাউন্ড দিবে না। আবার স্টেরিও রেকর্ডিং করা থাকলে সেটা এক চ্যানেলে বাজালেও সম্পুর্ণ না হোক কিছুটা হলেও স্টেরিও শব্দের অনুভুতি দেবে।

মনো অডিও সিস্টেম

শব্দ পুনরুৎপাদন যন্ত্র (এমপ্লিফায়ার) যখন একটি ইনপুট থেকে সিগনাল নিয়ে একটি আউটপুট দিবে তখন তা মনো সিস্টেম। আবার যদি একটি ইনপুট থেকে নিয়ে দুটো আউটপুট দেয় তবে সেটা আউটপুট সাপেক্ষে স্টেরিও হলেও কাজ করবে মনো সিস্টেমের মতো। একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকবে যেখানে তা আভ্যন্তরীন গঠনে যাই হোক না কেনো সেটা মনো।

স্টেরিও অডিও সিস্টেম

যার দুটো আলাদা অডিও ইনপুট দুটো আলাদা অডিও আউটপুট থাকবে সেটা স্টেরিও অডিও সিস্টেম। এইক্ষেত্রে দুই চ্যানেল সম্পুর্ণ স্বাধীন থাকবে অর্থাৎ  এক চ্যানেলে সিগনালের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির জন্য আরেক চ্যানেলের শব্দ গ্রহণ ও পুনরুৎপাদনে কোন ব্যাঘাত ঘটবে না।

ব্রীজ এমপ্লিফায়ার অডিও সিস্টেম

অনেক সময় একটি স্টেরিও এমপ্লিফায়ার কে একটি ইনপুট দিয়ে আউটপুটকে ব্রীজ করে একটি আউটপুটের এমপ্লিফায়ারে পরিণত করা হয়। এটাকে বলা হয় ব্রীজ করা, সাধারণ ভাবে ব্রীজ এমপ্লিফায়ার নামে ডাকা হয় যা আসলে একটি স্টেরিও এমপ্লিফায়ারকে মনো এমপ্লিফায়ারে পরিণত করে। এতে কিছু সুবিধা পাওয়া যায় তবে মনে রাখতে হবে যে-

  • ব্রীজ করা থাকুক আর না থাকুক একটি ইনপুট ও একটি আউটপুটের সকল এমপ্লিফায়ার মনো এমপ্লিফায়ার।
  • দুটো স্বতন্ত্র ইনপুট ও আউটপুট সহ এমপ্লিফায়ার হলো স্টেরিও এমপ্লিফায়ার।
  • কোন এমপ্লিফায়ারের দুটো ইনপুট শর্ট করে একটি ইনপুটে পরিণত করলে আউটপুট দুটো হলেও দেখতে স্টেরিও হবে কিন্তু কাজ করবে মনো এমপ্লিফায়ারের মতো।

তোমাদের/আপনাদের জানবার আগ্রহের প্রেক্ষিতে এই লেখা। কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে বা আরও কিছু জানবার থাকলে কমেন্ট অপশন খোলা রইলো। ধন্যবাদ।

 

 

 

SMPS বা সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাই কিভাবে কাজ করে

ফেইসবুক শেয়ার

 

টুইট

 

এ ধরনের আরো লেখাএ লেখকের আরো লেখা

ইঃ টিপস এন্ড ট্রিক্স

বৈদ্যুতিক লাইনে গ্রাউন্ডিং এর প্রয়োজনীয়তা ও ইলেকট্রিক শক

ইঃ টিপস এন্ড ট্রিক্স

এলডিআর/এলডিয়ার (LDR) পরিচিতি, ব্যবহার ও মজার সার্কিট

টিউটোরিয়াল

সহজ ভাবে ভোল্টেজ, কারেন্ট, পাওয়ার ফ্যাক্টর ও আনুষাঙ্গিক বিষয়

অডিও

বিভিন্ন অডিও সিস্টেম ও অডিও রেকর্ডিং সিস্টেমের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ইঃ টিপস এন্ড ট্রিক্স

সহজ ভাষায় সার্কিট ব্রেকার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

SMPS বা সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাই কিভাবে কাজ করে

SMPS (Switched Mode Power Supply) বা সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাই এখন অনেক জনপ্রিয়। মূল কারণ এর অল্প আয়তন ও স্বল্প ওজনে উচ্চ ক্ষমতা এবং সেল্ফ স্টেবিলাইজেশন সিস্টেম (Self Stabilization System) এর কারনে। ইনপুট ভোল্ট প্রায় ১০০ ভোল্ট থেকে শুরু করে ২৭০ ভোল্ট পর্যন্ত যাই হোক না কেন আউটপুট ভোল্ট একদম নির্দিষ্ট যেমন দরকার ঠিক তাই দিতে পারে। অন্যান্য সব পাওয়ার সাপ্লাই এর মত এতেও ট্রান্সফরমার থাকে। কিন্তু এটি ফেরাইট কোর ট্রান্সফরমার। সাথে আরো সহযোগী কম্পোনেন্ট ও থাকে।

মূলত সুইচিং টেকনিক ব্যবহার করে এই সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাই গুলো কাজ করে। এর জন্য প্রথমেই AC কে ব্রীজ রেক্টিফায়ার ও উপযুক্ত ফিল্টারিং ইন্ডাক্টর ও ক্যাপাসিটর দিয় DC করা হয়। তারপর এই উচ্চ ভোল্টেজের ডিসি কে সুইচিং সার্কিট দিয়ে উচ্চ কম্পাঙ্ক/ফ্রিকুয়েন্সি তে ট্রান্সফরমার টিকে চালনা করা হয়। আমরা সাধারন ভাবে মেইন লাইনে সরাসরি যে ট্রান্সফরমার ব্যবহার করি তা ৫০ হার্জ ফ্রিকুয়েন্সির হয়ে থাকে। কিন্তু এখানে ব্যবহার করা হয় হাই ফ্রিকুয়েন্সি ট্রান্সফরমার। যা চপার বা ফেরাইট কোর ট্রান্সফরমার (Chopper/Ferrite Core transformer) নামে পরিচিত। মুলত এই SMPS পদ্ধতিটি 1khz থেকে Ghz পর্যন্ত কার্যকরী হয়। তবে বেশীরভাগ smps পাওয়ার সাপ্লাই গুলো 18khz থেকে 30khz রেঞ্জের হয়ে থাকে৷ সাধারণত 2.5khz এর উপরে হলেই ফেরাইট কোরে ডিজাইন চিন্তা করা হয়৷ এই ইনপুট ফ্রিকুয়েন্সি এবং পালস ওয়াইডথ মডুলেশনকে (PWM) কমিয়ে-বাড়িয়ে আউটপুট ভোল্টেজ কে নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়। নিচের ব্লক ডায়াগ্রাম দেখলে আশাকরি বুঝতে পারবেন এর মূল কর্ম পদ্ধতি-

সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাইয়ের ব্লক ডায়াগ্রাম

নিম্নে কিছু ফেরাইট কোরের চিত্র দেয়া হলোঃ

বিভিন্ন ধরনের ফেরাইট কোর

এত উচ্চ ফ্রিকুয়েন্সি ব্যবহার করা হয় মূলত ট্রান্সফরমার এর আকৃতি ও পাওয়ার লস কমানোর জন্য। পাওয়ার লস কম হলে এফিসিয়েন্সি বা দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। ভোল্টেজ রেগুলেশন ও কম হয়। এছাড়াও এর অনেক সুবিধা আছে যা সংক্ষেপে বলা সম্ভব নয়।

প্রকৃতপক্ষে যেকোন ট্রান্সফরমার এর ইনপুট ফ্রিকুয়েন্সি কে কমবেশি করে এর আউটপুট ভোল্টেজ কমবেশি করা সম্ভব। এই সূত্রের ওপর নির্ভর করে এই পাওয়ার সাপ্লাই গুলো ডিজাইন করা হয়। সাথে আরো কিছু সূক্ষ্ণ জটিলতা আছে বৈকি। এ সূত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের সাইটে প্রকাশিত ট্রান্সফরমার তৈরির কৌশল লেখাটি পড়তে পারেন।

একটা প্রশ্ন প্রায়ই শুনি যে এই SMPS সাপ্লাই গুলোতে কেন ফেরাইট কোর ব্যবহার করে তা নিয়ে। মূলত এই সাপ্লাই গুলো ফ্রিকুয়েন্সি বা সুইচিং নির্ভর। তাই এমন একটি কোর দরকার যা কিনা উচ্চ ফ্রিকুয়েন্সিতেও সমান ভাবে কাজ করতে সক্ষম। আর তার জন্যই এই ফেরাইট কোর ব্যবহার করে। সাধারন আয়রন কোর মাত্র ২০ হার্জ থেকে ২০ কিলোহার্জ (অডিও রেঞ্জ) পর্যন্ত কাজ করতে পারে। তাও গুণগত মানের ভালো কোর হলে। সেক্ষেত্রে স্পট ওয়েল্ডিং করে দেওয়া হয় ভাইব্রেশন বা নয়েজ কমানোর জন্য। এর উপরে হলেই ফেরাইট কোর চিন্তা করতে হয় ৷ কিন্ত সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাই এ দরকার আরো হাই ফ্রিকুয়েন্সি, তাই ব্যবহার করা হয় ফেরাইট কোর। উল্লেখ্য, টিভি তে ব্যবহৃত ফ্লাইব্যাক ট্রান্সফরমার কে ফেরাইট কোর দ্বারা নির্মাণ করা হয় ঠিক একই কারনে। টিভির ফ্লাইব্যাক সাধারণত ১৬৬২৫ হার্জে সুইচিং করা হয়। ডিজাইন ভেদে পার্থক্য হয়, 15625 থেকে 16625 Hz এর মধ্যেই ব্যবহার করা হয়। তবে বেশীর ভাগ ডিজাইনই 15625 Hz ব্যবহার করা হয়

এখন কেউ যদি মনে করেন যে SMPS এর এই ফেরাইট ট্রান্সফরমার টি খুলে নিয়ে মেইন লাইনে লাগালেই হয়ত চলবে -তা হলে সেটা মারাত্মক ভুল হবে। কারন আগেই বলেছি যে এই ফেরাইট কোর ব্যবহার করে হাই ফ্রিকুয়েন্সি তে। তাই একে সাধারন মেইন লাইনে সরাসরি লাগালে কাজ করবে না বরং ট্রান্সফরমার পুড়ে যাবে ও আরো অনেক ক্ষতিও হতে পারে। তাই ভুলেও এ কাজটি করা উচিত হবে না। নিচের চিত্রে আমরা কিছু ফেরাইট কোর ট্রান্সফরমার দেখতে পাচ্ছি-

বিভিন্ন রকম ফেরাইট কোর ট্রান্সফরমার বা চপার

মূলত সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাই এর জন্য চপার ট্রান্সফরমার যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এর সুইচিং সার্কিট টি। একটি ছাড়া অপরটি চলতে পারে না। এর সার্কিট ডিজাইন করতে এই হয় চপার ট্রান্সফরমার এর ডিজাইন অনুযায়ী। তাই এমন ধরনের পাওয়ার সাপ্লাই ডিজাইন করা বেশ শ্রমসাধ্য ও জটিল হিসাব নিকাশে পূর্ণ। তবে আশার কথা হলো আমাদের ইলেকট্রনিক্সের গবেষক মণ্ডলী এ নিয়ে কাজ করছেন এবং কিছুদিনের মধ্যেই দেশীয় ভাবে প্রস্তুতকৃত এমন প্রযুক্তি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করে পারবো বলে আশা করছি।

এই ট্রান্সফরমার কে উচ্চ ফ্রিকুয়েন্সি তে সুইচিং করে চালনা করা হয়। আর এই ফ্রিকুয়েন্সি কে নিয়ন্ত্রণ করেই ট্রান্সফরমার এর আউটপুট কে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সাধারনত সেকেন্ডারি থেকে একটা ফিডব্যাক লাইন থাকে। সেকেন্ডারি ভোল্ট কমলে বা বাড়লে এই ভোল্টজের পার্থক্য টা ফিডব্যাক এর মাধ্যমে ফ্রিকুয়েন্সি কনট্রোলারে/আইসি তে যায়। যার মাধ্যমে অভন্তরস্থ অসিলেটরের পালস ওয়াইডথ নিয়ন্ত্রন হয় আর তার ফলে সেকেন্ডারি তে সাম্যবস্থা আনে।

নিচে কম্পিউটারে ব্যবহৃত এমন একটি সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাই এর চিত্র দেয়া হলো।

প্রদত্ত চিত্রেঃ

কম্পিউটারে ব্যবহৃত সুইচ মোড পাওয়ার সাপ্লাই

A: ইনপুট EMI ফিল্টারিং; তার সাথেই ব্রীজ রেক্টিফায়ার;
B: ইনপুট ফিল্টার ক্যাপাসিটর;
C: ফেরাইট ট্রান্সফরমার;
D: আউটপুট ফিল্টার কয়েল;
E: আউটপুট ফিল্টার ক্যাপাসিটর সমূহ।

আসলে সুইচ মোড সাপ্লাইয়ের কথা ও কাজ বলে শেষ হবে না। আমাদের কম্পিউটার থেকে শুরু করে টিভি, ডিভিডি, সেট টপ বক্স ইত্যাদিতে এটি হরহামেশা ব্যবহার হচ্ছে। আশা করি সংক্ষেপে যা বললাম তা নতুন পুরানো সবার কাজে লাগবে। আজকের মত এ পর্যন্তই। সামনে আবারো নতুন কোনো লেখা নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সাথে। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আর অবশ্যই সাইটে কমেন্ট করে উৎসাহ দিবেন আমাদের লেখকদের। সবার জন্য শুভকামনা।

 

 

 

 

 

 

লোডশেডিং কে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে নিজেই বানিয়ে নিন মিনি আইপিএস!!

লোডশেডিং এখন আমাদের জীবনেরই একটা অংশ হয়ে দাড়িয়েছে। একটা সময় ছিলো যখন বিদ্যুৎ চলে গেলে উফ করে উঠতাম। আর এখন মনেহয় এতো নিত্যদিনে ঘটনা, নতুন আর কী! আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো সহ ঝড়ো হাওয়া বইতে থাকলে, কালো মেঘের আনাগোনা দেখলে অথবা বৃষ্টি পড়তে শুরু করলে শুরু হয় লোডশেডিং। ইদানীং তো মনে হয়, আরে বিদ্যুৎ আসেতো চলে যাবার জন্যই! এখনই চলে গেল, তাহলে পরে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনের যখন মর্জি, তখন চলে আসবে। লোডশেডিং যেন একেবারেই যেন স্বাভাবিক।

পরিচ্ছেদসমূহ [আড়াল করুন]

তবে আপনার কাছে যদি যথেষ্ট টাকা পায়সা থাকে তাহলে লোডশেডিং আপনার জন্য কোন মাথা ব্যাথার কারন হবে না। আপনি চাইলেই জেনারেটর কিনতে পারেন। তেল কিনে ঘন্টার পর ঘন্টা ইঞ্জিন-জেনারেটর কন্ট্রোল সিস্টেম এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনকে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে দিতে পারেন, লোডশেডিং এর পিন্ডি চটকাতে পারেন। আবার ছোটবড় আইপিএস  কিনে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রনা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পেতে পারেন। তবে যারা উপরের দু’টাই করতে পারছেন না তারা হয় ইমার্জেন্সি চার্জার লাইট ও ফ্যান কিনেন অথবা খাতা দিয়ে বাতাস খান আর মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে লোডশডিংয়ের সময়টুকু সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন!

আমার বর্তমান লোডশেডিং এর সিডিউল অনুযায়ী ১ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে আর ৪ ঘন্টা থাকেনা। এই রেশিও তে বাজারের রেডিমেড চার্জারগুলি ঠিকমত চার্জ হবার সুযোগ পায় না, আবার এই চার্জার ফ্যান লাইটগুলির দাম অনেক। এবং খুবই নিম্নমানের চাইনিজ যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি বিধায়, এগুলি তেমন একটা টিকেনা

তবে আপনার যদি নূন্যতম ইচ্ছাও থাকে তাহলে আপনি একটি মিনি আইপিএস বানিয়ে ফেলতে পারেন নিজ হাতেই। খুবই কম খরচে। খুবই অল্প সময়ে (২-৩ ঘন্টায়) চার্জ হয়ে যাবে আবার বেশী সময় আপনাকে আলো ও বাতাস দিবে। দরকার নেই যে আপনার এই ইলেকট্রনিক্স কাজে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অথবা আপনি কোনদিনও এইসব ইলেকট্রনিক্স পার্টস চোখেও দেখেননি, আপনার দ্বারাও সম্ভব এই মিনি আই পি এস বানানো। আপনার শুধু দরকার এইটা বানানোর আন্তরিক ইচ্ছা

সংক্ষেপে মিনি আইপিএস সার্কিট ডায়াগ্রাম

এই মিনি আইপিএস বানাতে আপনার যা লাগবে

আর মিনি আইপিএস এর চার্জার বানাতে যা লাগবে

কোথায় পাবেন সকল পার্টস

উৎসঃ Source 
এসি সার্কিটঃ এসি জেনারেটর উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ডিসি সার্কিটঃ ডিসি সার্কিটে উৎস হিসেবে ব্যটারী বা ডিসি জেনারেটর ব্যবহৃত হয়।

২। উপাদানঃ Parameters
এসি সার্কিটঃ এসি সার্কিটে প্যারামিটার হিসেবে
রেজিস্ট্যান্স, ইন্ডাকট্যান্স ও ক্যাপাসিট্যান্স ব্যবহার করা হয়।
ডিসি সার্কিটঃ ডিসি সার্কিটে প্যারামিটার হিসেবে শুধুমাত্র রোধ ব্যবহার করা হয়।
৩। সরবরাহ ফ্রিকুংয়েন্সিঃ
এসি সার্কিটঃ ফ্রিকুয়েন্সির প্রভাবে ইন্ডাকট্যান্স ও
ক্যাপাসিট্যান্স এর মান বাড়ে ও কমে।
ডিসি সার্কিটঃ ফ্রিকুয়েন্সির কোন প্রভাব নেই।

৪। যোগবিয়োগঃ Calculation
এসি সার্কিটঃ ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যে 90 ডিগ্রি ফেজ পার্থক্য থাকে বলে ভোল্টেজ ও কারেন্টসমূহ গানিতিক ভাবে যোগ বিয়োগের পরিবর্তে ভেক্টর যোগ বা বিয়োগ করতে হয়।
ডিসি সার্কিটঃ ভোল্টেজ ও কারেন্ট সমূহকে গানিতিকভাবে যোগ বিয়োগ করা যায়।

৫। রূপান্তরঃ
এসি কারেন্টঃ রেকটিফায়ারের সাহায্যে এসি
কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে পরিবর্তন করা যায়।
ডিসি কারেন্টঃ ডিসি কারেন্টকে সহজে এসি
কারেন্টে রূপান্তর করা যায় না। গেলেও কষ্টসাধ্য
ও ব্যায়বহুল।

৬। সরবরাহ হ্রাস বৃদ্ধিঃ
এসি কারেন্টঃ এসি কারেন্টকে ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে সরবরাহ ভোল্টেজকে কমানো বা বাড়ানো যায়।
ডিসি কারেন্টঃ ডিসি কারেন্টের সরবরাহ ভোল্টেজকে কমানো বা বাড়ানো যায় না।

৭। রেগুলেশনঃ
এসি কারেন্টঃ এসি কারেন্টে ভোল্টেজ ড্রপ
বেশি হয় বিধায় রেগুলেশন ভাল হয় না।
ডিসি কারেন্টঃ ডিসি কারেন্টে ভোল্টেজ ড্রপ কম
হয় বিধায় রেগুলেশন ভাল।

৮। উৎপাদনঃ
এসি কারেন্টঃ সর্বোচ্চ উৎপাদিত ভোল্টেজ 16500 ভোল্ট।
ডিসি কারেন্টঃ সর্বোচ্চ উৎপদিত ভোল্টেজ 1500 ভোল্ট।

এখন আশা করি আপনারা এসি কারেন্ট ও ডিসি কারেন্ট এর পার্থক্যটা বুঝতে পেরেছেন।

এসি কারেন্টের কিছু বড় অসুবিধা হলঃ
১। এসি কারেন্ট এর সাহায্যে ব্যাটারী চার্জ করা যায়না।
২। ইলেকট্রোপ্লেটিং এর কাজে এসি কারেন্ট ব্যবহার করা যায় না।
৩। স্ত্রিন ইফেক্ট সমস্যা হয়।ইত্যাদি।

[তবে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতিতে সাধারনত ডিসি কারেন্ট ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে ব্যাটারী ব্যবহার করা হয় কিংবা ট্রান্সফর্মার ও রেকটিফায়ারের সাহায্যে এসি কে ডিসি তে রূপান্তর করে ব্যবহার করা হয়।]

 

 

 

Alternating Current versus Direct Current comparison chart
Alternating Current Direct Current
Amount of energy that can be carried Safe to transfer over longer city distances and can provide more power. Voltage of DC cannot travel very far until it begins to lose energy.
Cause of the direction of flow of electrons Rotating magnet along the wire. Steady magnetism along the wire.
Frequency The frequency of alternating current is 50Hz or 60Hz depending upon the country. The frequency of direct current is zero.
Direction It reverses its direction while flowing in a circuit. It flows in one direction in the circuit.
Current It is the current of magnitude varying with time It is the current of constant magnitude.
Flow of Electrons Electrons keep switching directions – forward and backward. Electrons move steadily in one direction or ‘forward’.
Obtained from A.C Generator and mains. Cell or Battery.
Passive Parameters Impedance. Resistance only
Power Factor Lies between 0 & 1. it is always 1.
Types Sinusoidal, Trapezoidal, Triangular, Square. Pure and pulsating.